উন্নয়ন ধরে রাখতে আরেকবার নৌকায় ভোট দিন : শেখ হাসিনা


333 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
উন্নয়ন ধরে রাখতে আরেকবার নৌকায় ভোট দিন : শেখ হাসিনা
অক্টোবর ২৭, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::
বরগুনায় জনতার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সম্মান লাভ করেছি, সেটা ধরে রাখতে আরেকবার আওয়ামী লীগকে ভোট দিন, নৌকায় ভোট দিন। আপনাদের কাছে আমি দোয়া চাই। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। যাকেই নৌকা মার্কা দেওয়া হবে, তাকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন।

শনিবার বিকালে বরগুনার তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় আয়োজিত জনসভায় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে দুপুরে পায়রা বন্দরে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প ও বয়লার টাওয়ার পরিদর্শন করেন। পরে ১৬টি প্রকল্প উদ্বোধন এবং পাঁচটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই উন্নয়ন করে। আপনারা নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে সেবার সুযোগ দিয়েছেন। এজন্য আমাদের কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জনগণের প্রতি। নৌকা মানেই উন্নয়ন। এই নৌকায় ভোট দিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। নৌকায় ভোট দিয়ে মানুষ কখনো ঠকেনি। যখনই ভোট দিয়েছে উন্নয়ন হয়েছে। নৌকার ফলেই সমগ্র বাংলাদেশে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।

তিনি বলেন, দুই টার্ম আমরা রাষ্ট্র পরিচালনা করেছি। সারাদেশেই উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। প্রতিটি এলাকায় মানুষ যেন ভালোভাবে চলতে পারে সেটা করতে সক্ষম হয়েছি। বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০ হাজার মেগাওয়াটে বৃদ্ধি করেছি। এখানে যে বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে সেখান থেকে ১৩০০ মেগাওয়াট বিদুৎ উৎপাদন হবে। শুধু ঘরে বিদ্যুৎ যাবে না, এ বিদ্যুৎ শিল্প কলকারখানায়ও যাবে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণ করব, সেখানে বিদ্যুতের প্রয়োজন হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই, শুধু রাজধানীর মানুষ সুখে থাকবে তা নয়, প্রত্যেকটা গ্রামগঞ্জ পর্যন্ত সুবিধা পৌঁছাতে চাই। প্রত্যেকটা গ্রামে আমরা শহরের মতো সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই। ঘরে বসে ইন্টারনেটে কাজ করে পয়সা উপার্জন করে মানুষ যাতে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে সেজন্য লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রজেক্ট নিয়েছি। যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থান ব্যাংক করেছি। আওয়ামী লীগ সরকার বর্গাচাষিদের বিনাসুদে ঋণের ব্যবস্থা করেছে। আমাদের কওমি মাদ্রাসার ছাত্রদের আগে কোনও স্বীকৃতি ছিল না। আমরা তাদের কারিকুলাম ঠিক করে সনদের ব্যবস্থা করেছি। যে সনদের মাধ্যমে তারা দেশে বিদেশে চাকরির সুযোগ পাবে। তারাও আমাদেরই সন্তান। তাদের জীবনমান উন্নত হোক আমরা সেটাই চাই।