উন্নয়ন পরিকল্পনা সুপরিকল্পিত হতে হবে : স্থপতিদের প্রধানমন্ত্রী


99 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
উন্নয়ন পরিকল্পনা সুপরিকল্পিত হতে হবে : স্থপতিদের প্রধানমন্ত্রী
সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে যাত্রীদের চাপ, যানবাহন চলাচলের গতি, সড়কের দৈর্ঘ্য, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের কথা মাথায় রেখে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা দেখার পর শেখ হাসিনা স্থপতিদের উদ্দেশে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দাদের জন্য টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে নতুন ভবনগুলোতে কিছুটা খোলা জায়গা, প্রাকৃতিক বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা, বারান্দা ও আধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রাখার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী নির্মাণাধীন বহুতল ভবনগুলোতে যথাযথ বর্জ্য ও পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। এখন থেকে গ্যাস ও পানির লাইনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ লাইনকেও ভূগর্ভে স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। শেখ হাসিনা বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের আসন সংখ্যা বৃদ্ধির পরিবর্তে আরও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। সরকারপ্রধান বলেন, সরকার প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করছে।

পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পগুলোর তথ্য উপস্থাপন করেন স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি কাজি গোলাম নাসির ও সহকারী স্থপতি সৈয়দা সায়কা বিনতে আলম।

আজিমপুর কলোনিতে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বহুতল আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ, সচিবালয়ে নির্মাণাধীন ২০ তলা ভবনে মন্ত্রিপরিষদের সভা আয়োজনের সংস্থান, শেরেবাংলা নগরে স্থপতি লুই আই কানের করা মাস্টারপ্ল্যানের ৪৩ একর জমিতে জরাজীর্ণ ভবন অপসারণ করে বহুতল ভবন নির্মাণ এবং হাতিরঝিল প্রকল্প এলাকায় মাল্টিপারপাস সহযোগী ভবন নির্মাণ প্রকল্প রয়েছে এর মধ্যে।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় শেরেবাংলা নগরের বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্পে লুই আই কানের সহযোগী স্থপতি হেনরি উইলকটকে পরামর্শক অথবা উপদেষ্টা হিসেবে রাখার সুপারিশ করলে প্রধানমন্ত্রী তাতে সম্মতি দেন।

পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, শেরেবাংলা নগরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনের জন্য ৫১টি দশতলা ভবন করা হবে। এসব ভবনে মোট ১ হাজার ৮৩৬টি আবাসিক ফ্ল্যাট থাকবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৪ হাজার ৪৪৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা। সচিবালয়ে নির্মাণাধীন ২০ তলা ভবন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। সেখানে মন্ত্রিপরিষদের সভা করার মতো ব্যবস্থা রেখে নকশা চূড়ান্ত করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।