উপকূলবর্তী এলাকায় নিরাপদ পানি এবং স্বাস্থ্যাভ্যাস উন্নয়ন বিষয়ক এক পরামর্শ সভায় বক্তারা ————————————————– সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার ৭০ ভাগ মানুষ নিরাপদ পানি পাচ্ছে না, ৫০ থেকে ৬০ ভাগ মানুষ স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহার করেন না


569 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
উপকূলবর্তী এলাকায় নিরাপদ পানি এবং স্বাস্থ্যাভ্যাস উন্নয়ন বিষয়ক এক পরামর্শ সভায় বক্তারা ————————————————– সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার ৭০ ভাগ মানুষ নিরাপদ পানি পাচ্ছে না, ৫০ থেকে ৬০ ভাগ মানুষ স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহার করেন না
জুন ২৫, ২০১৫ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার ৭০ ভাগ মানুষ নিরাপদ পানি পাচ্ছে না, ৬৫ ভাগ মানুষ লবন পানি দিয়ে গোসল করেন, প্রায় ৮৫ ভাগ মানুষের হাত ধোয়ার অভ্যাস নেই, ৫০ থেকে ৬০ ভাগ মানুষ স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহার করেন না। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত উপকূলবর্তী এলাকায় নিরাপদ পানি এবং স্বাস্থ্যাভ্যাস উন্নয়ন বিষয়ক এক পরামর্শ সভায় এসব তথ্য তুলে ধরে আয়োজন কর্তৃপক্ষ।
বেসরকারী সংস্থ্যা সুশীলন ও অক্য্রফ্যাম যৌথভাবে এই পরামর্শ সভার আয়োজন করে।
সুশীলনের সভাপতি চন্দ্রিকা ব্যানার্জীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অক্য্রফ্যাম এর সমন্বয়কারী মিসেস সোনিয়া সাইয়া ফিটবি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, অধ্যক্ষ লিয়াকত পারভেজ, অধ্যক্ষ দিলারা বেগম, প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ,সুশীলন পরচালক মোস্তফা নূরুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক মিজানুর রহমান, সাংবাদিক এম. কামরুজ্জামান, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তারাময়ী মুখার্জি, শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মহাসিন-উল-মূলক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নূর জাহান পারভিন ঝরনা, আটুলিয়া ইউপি চেয়াম্যান  এ কে এম আব্দুল হামিদ প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন।
সভায় সাতক্ষীরা আইলা দুর্গত শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, এনজিও প্রতিনিধি, সরকারী কর্মকর্তাসহ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ গ্রহন করেন।
পরামর্শ সভায় প্রাকৃতিক  দুর্যোগ মোকাবেলায় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগে ও পরে সরকারী ও বেসরকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় না থাকার কারনে সামগ্রীক ভাবে এলাকায় উন্নয়ন ব্যহত হচ্ছে।