একাদশে ভর্তির চতুর্থ মেধা তালিকা প্রকাশ আজ


644 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
একাদশে ভর্তির চতুর্থ মেধা তালিকা প্রকাশ আজ
জুলাই ২৩, ২০১৫ জাতীয় ফটো গ্যালারি শিক্ষা
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডেস্ক :
একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিতে চতুর্থ ও শেষ দফায় এসএমএস এবং অনলাইনে আবেদন করেছে সাড়ে ৮২ হাজার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত তারা এ আবেদন করে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ড. আশফাকুস সালেহীন সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা এর আগে আবেদন করেনি, কোনো কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়নি অথবা যারা কোনো কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছে, অথচ ভর্তি হতে পারেনি তারা এই ধাপে আবেদন করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার যে কোনো সময় আবেদনকারীদের মধ্য থেকে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির চতুর্থ মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে। অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়ায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডকে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে বুয়েটের আইআইসিটি। কলেজ ভর্তি ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) বলা হয়েছে, যারা এর আগে ভর্তির আবেদন ফি দিয়েছে, তাদের এই ধাপে নতুন করে ফি দিতে হবে না। অন্যদের অবশ্যই টেলিটক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ১৫০ টাকা ফি দিতে হবে।

চতুর্থ ধাপের ফল আজ প্রকাশ করার পর ২৫-২৬ জুলাই তাদের ভর্তি হতে হবে বলে জানিয়েছেন কলেজ পরিদর্শক। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, হিসাব মতে এখনও পর্যন্ত ১০ লাখ ৪৭ হাজার শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হতে পেরেছে। ভর্তি হতে পারেনি এক লাখের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পছন্দের কলেজ না পাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে আগের তিন তালিকা থেকে ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি। এ ব্যাপারে কলেজ পরিদর্শক ড. আশফাকুস সালেহীন সমকালকে বলেন, সব শিক্ষার্থীই কলেজে ভর্তি হতে পারবে।

অনলাইনে হোক আর ম্যানুয়ালি হোক, কোনো শিক্ষার্থী ভর্তির বাইরে থাকবে না। আজ এ বিষয়ে ঘোষণা আসবে। ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য সারাদেশে অনলাইন ও এসএমএসে আবেদন করার নতুন নিয়ম চালু করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অনলাইন প্রক্রিয়ায় কারিগরি জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ের তিন দিন পর গত ২৮ জুন মধ্যরাতে প্রথম মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে ১১ লাখ ৫৬ হাজার ২২৪ প্রার্থীর মধ্যে মনোনীত হয় ৯ লাখ ২৩ হাজার ১০৫ জন। গত ৬ জুন দ্বিতীয় মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়, যাতে মনোনীত হয় ১৭ হাজার ৬৪৭ জন। তৃতীয় তালিকায় প্রকাশ করা হয় ১১ জুলাই। এতে স্থান পায় এক লাখ আট হাজার ৬৩৯ শিক্ষার্থী। তিন দফায় শিক্ষার্থীদের অনেকেই ‘ভুল’ বিভাগ ও কলেজে মনোনয়ন পেয়েছে। এতে ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।