এমবিবিএস পরীক্ষায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অভাবনীয় সাফল্য, রাজশাহী বোর্ডে দ্বিতীয়


571 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
এমবিবিএস পরীক্ষায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অভাবনীয় সাফল্য, রাজশাহী বোর্ডে দ্বিতীয়
জুলাই ১৪, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে প্রথম বিত্তিমূলক এমবিবিএস পরীক্ষায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনের ২০ টি  মেডিকেল কলেজের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। পাশের হার শতকারা ৮৪%। গত শনিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিন ২০টি মেডিকেল কলেজের ফলাফল প্রকাশিত হয়।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ থেকে এবছর ৫০ জন শিক্ষার্থী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে প্রথম বিত্তিমূলক এমবিবিএস পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে। এর মধ্যে ৪২ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়। এই ফলাফলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে দেশের ২০ টি মেডিকেল কলেজের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেছে।

প্রথম স্থান পাওয়া রংপুর মেডিকেল কলেজের পাশের হার ৮৫.৪৯%। শিক্ষার্থীরা প্রথম বিত্তিমূলক এমবিবিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ভাল ফলাফল অর্জন করায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজটির শিক্ষক শিক্ষার্থীরা এখন দারুন খুশি।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের কোর্স কোডিনেটর সযোগী অধ্যাপক ডা. কামরুজ্জামান জানান,ভাল ফলাফলের পেছনে শির্ক্ষীদের কঠোর পরিশ্রম,ও মেডিকেল কলেজের শিক্ষকরা সর্বাত্ব চেষ্টার ফসল আজকের এ ফলাফল।

তিনি বলেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছে। নিয়িমিত ক্লাস হয় এ মেডিকেল কলেজে এমন কথা জানিয়ে তিনি শিক্ষক স্বল্পতা দ্রুত নিরশনের দাবী জানান।
২০১১ সালে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের শিক্ষাকার্যক্রম শুরু হয়ে।এ ফলাফলে শিক্ষক শির্ক্ষীরা দারুন খুশি।
মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী হাবিবুর রহমান জানান, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত চার বছর ধরে শিক্ষক সংকট কাটছে না।

তিনি জানান, মিডেকেল কলেজটিতে ১২ টি অধ্যাপকের পদ থাকলেও তা সবই শূন্য রয়েছে। ২০ টি সহযোগী অধ্যাপকের পদ থাকলেও আছে মাত্র ৫ জন। ২২ টি সহকারী অধ্যাপকের পদের বিপরীতে আছে মাত্র ১২ জন। এছাড়া ২১ জন প্রভাষক পদের বিপরীতে আছে মাত্র ১৪। এই শিক্ষক স্বল্পতা নিয়েও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে প্রথম বিত্তিমূলক এমবিবিএস পলীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করায়  মেডিকেল কলেজটির ভাবমূর্তি উজ্জল হয়েছে। তিনি সরকারের কাছে দ্রুত শিক্ষক স্বল্পতা নিরশনের দাবী জানান।