এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ধর্ষণের আসামি সাইফুর ও অর্জুন লস্কর গ্রেপ্তার


139 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ধর্ষণের আসামি সাইফুর ও অর্জুন লস্কর গ্রেপ্তার
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষ‌ণের ঘটনায় করা মামলার আসামি সাইফুর রহমান ও অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাইফুর রহমানকে রোববার সকালে সুনামগ‌ঞ্জের ছাতক থে‌কে এবং অর্জুন লস্করকে ভোরে হবিগঞ্জর মাধবপুরের মনতোলা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সাইফুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার সকালে ছাতক খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ছাতক থানার এসআই হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তা‌কে গ্রেপ্তার করে।

মাধবপুর থানার ওসি ইকবাল হোসেন বলেন, রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরের মনতোলা সীমান্ত থেকে অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তার করে সিলেট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তাকে সিলেট নিয়ে আসা হয়েছে।

সি‌লেট মহানগর পু‌লি‌শের কেউ এখনও গ্রেপ্তারের তথ্য জানাননি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বামী-স্ত্রী এমসি কলেজে বেড়াতে যান। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৫-৬ জন জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে তারা। খবর পেয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে শাহপরাণ থানা পুলিশ।

গত শুক্রবার ওই বর্বরোচিত ঘটনার পর ক্ষোভ, নিন্দা আর ধিক্কারে সরব হয়ে উঠেছে বিভিন্ন সংগঠন। অবিলম্বে ধর্ষকদের গ্রেপ্তারের দাবি সবার। বন্ধ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ কর্মীদের থাকতে দেওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, ১২৮ বছরের পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় এক কলঙ্কজনক ইতিহাস সৃষ্টি হলো।

এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে নগরীর শাহপরাণ থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তবে এজাহারে ছয় আসামির নাম রয়েছে, তিনজন অজ্ঞাতপরিচয় আসামি রয়েছে। নাম থাকা আসামিদের ছয়জনই ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত। তারা হলেন- সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান।