এসএসসি পরীক্ষা : বুধবারের ‘ক্যারিয়ার শিক্ষা’ বিষয়ের পরীক্ষা ২ মার্চ


339 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
এসএসসি পরীক্ষা : বুধবারের ‘ক্যারিয়ার শিক্ষা’ বিষয়ের পরীক্ষা ২ মার্চ
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯ ফটো গ্যালারি শিক্ষা
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

চলমান এসএসসি পরীক্ষায় মঙ্গলবার প্রশ্নপত্রে গুরুতর ত্রুটি থাকায় পরীক্ষা নেওয়ার পর যশোর শিক্ষাবোর্ডের ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ (আইসিটি) বিষয়ের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। একই সাথে স্থগিত করা হয়েছে সারাদেশে বুধবারের ‘ক্যারিয়ার শিক্ষা’ বিষয়ের পরীক্ষাও।

আগামী ২ মার্চ বেলা ২টায় ‘ক্যারিয়ার শিক্ষা’ বিষয়ের এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর শিক্ষাবোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানের নিয়ে গঠিত ‘আন্তঃ শিক্ষাবোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি’র সভা করে যশোর বোর্ডের ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে’র নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার তারিখ পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন মঙ্গলবার বিকেলে সমকালকে বলেন, কার ভুলে এমনটি ঘটেছে, পুরো বিষয়টি তারা তদন্ত করে দেখবেন। পরীক্ষা আগে সুষ্ঠুভাবে শেষ করা হবে।

তিনি বলেন, আইসিটি বিষয়ের পরীক্ষা প্রতিটি বোর্ডে আলাদা প্রশ্নে হয়। যশোর বোর্ডের নৈর্বক্তিক প্রশ্নের একটি সেটে প্রশ্নপত্রের এক পাতায় ‘ক্যারিয়ার শিক্ষা’ বিষয়ের ১৩টি নৈর্বক্তিক প্রশ্ন ছাপা হয়েছে। ‘ক্যারিয়ার শিক্ষা’ বিষয়ের পরীক্ষা বুধবার অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। তাই বাধ্য হয়ে দুটি বিষয়ের পরীক্ষাই বাতিল করতে হয়েছে।

সচিব জানান, প্রাথমিকভাবে তারা মনে করছেন, বিজি প্রেসে মুদ্রণ ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।

যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র সমকালকে জানিয়েছেন, আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সাথে কথা বলে আইসিটি পরীক্ষার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

পরীক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিষয়ের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা শুরু হয়। তাদের কক্ষে বোর্ডের ‘ঘ’ সেট প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়।

এই প্রশ্নপত্রের প্রথম পৃষ্ঠায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের ১২টি প্রশ্ন থাকলেও অপর পৃষ্ঠায় ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের ১৩টি প্রশ্ন অজ্ঞাত কারণে ছাপা হয়ে গেছে। পরীক্ষা শুরুর ২০ মিনিট পর সেই ভুল ধরা পড়লে শিক্ষকরা তাদের উত্তরপত্র বাতিল করে ‘গ’ সেটের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করে নতুন করে পরীক্ষা নেন। এতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ উত্তর প্রদানে ব্যর্থ হন বহু পরীক্ষার্থী।