ওবায়দুল কাদেরের মনে খেদ


327 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ওবায়দুল কাদেরের মনে খেদ
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৫ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি লাঘবে কাজ করে গেলেও ‘অসাধারণ’ মানুষদের কাছ থেকে সাড়া না পাওয়ায় খেদ প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের ইঙ্গিত করে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কোন কোন গণমাধ্যমে যানজট নিয়ে অতিরঞ্জিত সংবাদ করা হচ্ছে অভিযোগ করে মন্ত্রী বলেন, “মন্ত্রী কাজ করে জনস্বার্থে, সেখানে জনগণ সুবিধা পেলে আপনি কেন বলবেন না? এখন নিউজ করার জন্য যদি করেন ভাই, আমার তো কিছু করার নেই, আসলে এ দেশে এতো কাজ করে, দিন রাত কোন ছুটি ভোগ করি না, দেখতে পাচ্ছি সাধারণ মানুষ অ্যাপ্রিসিয়েট করে, অসাধারণ মানুষ কোন ভাল কাজের অ্যাপ্রিসিয়েট করে না।”

তবে টানা বৃষ্টির কারণে এবার যাত্রীদের খুব স্বস্তি দেওয়ার মতো বাস্তবতা নেই বলেও জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, “গত তিন মাস টানা বৃষ্টি হয়েছে। ঈদের সময় আশ্বিন মাসে এ রকম বৃষ্টি আমি জীবনে দেখিনি, কয়েকেদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। এই বৃষ্টির মধ্যে কীভাবে রাস্তাঘাট ঠিক রাখবেন, তারপরও আমাদের রাস্তাগুলো পাসেবল আছে।

“বৃষ্টির মধ্যে টার্গেট হবে দুর্ভোগ কমানো, এখানে খুব স্বস্তি আমি দিতে পারবো না, সেই বাস্তবতা নেই।”

মহাসড়কে বৃষ্টির কারণে যে দুর্ভোগ হওয়ার কথা তার চেয়ে কম হচ্ছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, “মহাসড়কের রাস্তা খুব ভাল বলছি না, কিন্তু পাসেবল রয়েছে।”

ঢাকার প্রবেশ পথগুলো নিয়ে অসন্তুষ্ট প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এই ব্যবস্থাপনা দেখে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হওয়ার কারণ নেই, অবিরাম বৃষ্টি অনেক প্রস্তুতিতে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে, প্রবেশ পথগুলোতে ব্যবস্থাপনা ভাল হলে দুর্ভোগ আরও কমতো।

“শুধু ঢাকার প্রবেশপথগুলো আমার কাছে ভাল লাগছে না। সায়েদাবাদে রাস্তা বেহাল। এই রাস্তা সিটি করপোরেশনের, আমার না। আমি একটু আগে মেয়র সাহেবকে ফোন দিয়েছিলাম, বলেছি এখানে রাস্তার অবস্থা বেহাল, আপনি একটু দেখে যান।”

“নতুন নির্বাচিত মেয়র বললেন ফান্ড সংকটে আছেন এজন্য পারছেন না। আমি তাকে বলেছি অন্তত বড় বড় গর্তগুলো পূরণ করে দিন। মেয়রকে বলেছি আমারই কোমর ভেঙ্গে যাচ্ছে, প্লিজ আপনি আসুন, দেখুন মানুষ খুব কষ্ট করছে।”

প্রবেশপথ গাবতলীর কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, “প্রবেশপথ গাবতলীও একটা সমস্যা। উন্টাপাল্টা গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখে। অনেক নিষেধ করার পর স্থানীয় রাজনৈতিক চাপে ইজতেমার কাছে একটি গরুর হাট প্রবেশ মুখে সমস্যা করছে। তবে সেখানে সায়েদাবাদের মত রাস্তা খারাপ না।”

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

একদিন আগে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের দিকে ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন, “প্রকাশ্যে যাত্রীদের জিজ্ঞাসা করছি, কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কথা বলেনি। তারপরও যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে বলেন। একটি অনলাইনে সংবাদপত্রে দেখলাম এক যাত্রী অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে জিজ্ঞাসা করলে মন্ত্রী তাকে থামিয়ে দিয়েছে। তবে এ রকম কোন ঘটনা ঘটেনি।”

দৈনিক বাংলার বাণীর সাবেক সহকারী সম্পাদক কাদের বলেন, “আমি যাত্রীদের কাছে জিজ্ঞাসা করেছি প্রকাশ্যে কেউ না বললে আমি নিজে বানিয়ে বলবো? এখানে তো বলা যায় না- মন্ত্রী দাবি করেছে। মন্ত্রী কেন দাবি করতে হবে আপনি দেখছেন না।”