কপিলমুনিতে কপোতাক্ষ নদীতে ভক্তদের অশ্রুসিক্ত নয়নে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন


160 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনিতে কপোতাক্ষ নদীতে ভক্তদের অশ্রুসিক্ত নয়নে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন
অক্টোবর ৯, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি ::

অশ্রুসজল নয়নে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে কপিলমুনিতে শেষ হল শারদীয় দূর্গোৎসব।
আশ্বিন পক্ষের দশমী তিথিতে শ্বশুরবাড়ী কৈলাসে পাড়ি দেন দেবী দুর্গা। বিষাদের সুরেই সেই দিনে বিজয়া পালন করেন মর্ত্যবাসী। ধর্মগ্রন্থ পুরাণ মতে, মহিষাসুরের সঙ্গে ৯ দিন ও ৯ রাত্রি যুদ্ধ করার পর দশম দিনে জয় লাভ করেন দেবী দুর্গা। সেই জয়কেই চিহ্নিত করে বিজয়া দশমী। একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে সেই জয় উদ্যাপন করা হয়। চলে কোলাকুলি। নারী শক্তির জাগরণে সিদুঁর খেলায় মেতে ওঠেন বাঙালি ঘরের সধবা মহিলারা।এ দিনে সকল ভক্তকে ছেড়ে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মা দুর্গা চলে যাবেন। এটাই হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রচলিত ধর্মীয় রীতি বা নিয়ম। ভক্তদের পদচারনায় মুখরিত হয় কপিলমুনি ও হরিঢালী এলাকার দূর্গা মায়ের মন্ডপগুলি।
খুলনার কপিলমুনি ঐতিহ্যবাহী কালীবাড়ী ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের দৃশ্য নজর কাড়ার মতো। বিকাল ৫ টা বাজার সাথে সাথে বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত দূর্গা প্রতিমার বহর আসতে থাকে। এক আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হতে থাকে। হাজার হাজার ভক্তবৃন্দের উপস্থিতি এক অন্য রকম হয়ে ওঠে কালিবাড়ি নদীর ঘাট। লাল সিদূরের আলপনা মায়ের মুখ করে তোলে রঙ্গীন। মাকে ছোয়া সিদূরে লাল হয় ভক্তদের দু-চোয়াল, কপাল আর গাল। উৎসব মুখর হয় চিরচেনা কালীবাড়ি ঘাট। কপোতাক্ষ নদীতে নৌকায় দুলতে থাকেন উৎসুক দর্শনার্থী। হিন্দু নারীরা মায়ের কপালে সিঁদুর দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে থাকেন। মাকে বিসর্জন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়ার্দার, খুলনা জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক সাধন চন্দ্র ভদ্র, বিশিষ্ট সমাজ সেবক চম্পক পাল, কপিলমুনি ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ইকবাল হোসেন খোকন, কপিলমুনি প্রেসক্লাবের সাঃ সম্পাদক গাজী আব্দুর রাজ্জাক রাজু, পাইকগাছা সাংবাদিক জোটের সদস্য সচিব পলাশ কর্মকার, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আজমল হোসেন বাবু, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান মোল্লা, কপিলমুনি স্বর্ণ সমিতির কোষাধ্যক্ষ বিপ্লব দত্ত, পলাশ মজুমদার প্রমুখ।

#