কপিলমুনিতে কাপড়ের দোকানে উপছে পড়া ভীড়


72 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনিতে কাপড়ের দোকানে উপছে পড়া ভীড়
জুন ২, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

জুয়েলার্সের দোকান ক্রেতা শুণ্য

পলাশ কর্মকার,কপিলমুনি ::

কপিলমুনিতে শেষ মুহূর্তে ঈদ বাজার জমে উঠেছে। কাপড়ের দোকানসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানে উপছে পড়া ভীড় পরিলক্ষিত হলেও জুয়েলার্সের দোকানগুলো ক্রেতা শূণ্য।
ঈদ মানে খুশি, আর সেই কাঙ্খিত খুশির ঈদের আর মাত্র ঙ্গ দিন বাকি রয়েছে। ঈদের সেই আনন্দের দিনটি ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে কপিলমুনির বাণিজ্য বিপনীগুলো ক্রেতা সাধারণের পদভারে মুখোরিত হচ্ছে।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, কপিলমুনির কাপড়পট্টিতে যেন তিল ঠাঁই নেই, সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কেনা-বেচা। আবাল বৃদ্ধ বণিতা সকলেই ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করে উপভোগ করতে যেন পিছপা নন। সকলেরই চাই ঈদে নতুন পোশাক, তাইতো সেই সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাপড়ের দোকানে এ ছুটে চলা।
কাপড়পট্টির গার্মেন্টস ব্যবসায়ী শেখ আব্দুল গফুর জানান, ‘এবছর মেয়েদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় পোশাক লেহাঙ্গা। অন্য সকল পোশাকের তুলনায় অকেনগুন বেশি চাহিদা দেখা যাচ্ছে এটির। এছাড়া শাড়ি, শিশুদের শার্ট প্যান্ট, ফতুয়া বিদেশী জিন্স প্যান্টও চাহিদার তালিকায় রয়েছে।
এদিকে কাপড়ের দোকানের পাশাপাশি কপিলমুনি বাজারের টেইলার্স, সু স্টোর, কসমেটিকস্ স্টোর গুলোতেও উপছে পড়া ভীড় পরিলক্ষিত হয়। প্রায় সকল দোকানে ঈদের আমেজ পরিলক্ষিত হলেও যেন প্রান পায়নি জুয়েলার্স পট্টি। প্রতি বছর ব্যাপক সোনার গহনা বিক্রি হলেও অধিকাংশ দোকানে এবছর কেনা-বেচা প্রায় শুণ্যের কোঠায়। ফলে জুয়েলার্স ব্যবসায়ীরা ঈদ মৌসুমে এক প্রকার আশাহত হয়েছেন। কপিলমুনির জুয়েলার্স সমিতির সভাপতি মানিক লাল সিংহ বলেন, ‘এবারের ঈদে গহনার অর্ডার একেবারেই কম। ফলে ঈদ মৌসুমে আমাদের দোকানের কারিগররা বসে সময় কাটাচ্ছে’।

#