কপিলমুনিতে চিংড়ি মাছে পুশ করা হচ্ছে অপদ্রব্য


1017 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনিতে চিংড়ি মাছে পুশ করা হচ্ছে অপদ্রব্য
আগস্ট ৩১, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি:
কপিলমুনিতে চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করা হচ্ছে। এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করে সম্ভাবনাময় এশিল্পকে ধ্বংশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
জানাযায়, কপিলমুনি এলাকাটা বেশ পূর্বের থেকে সাদা সোনা নামে খ্যাত চিংড়ি শিল্পে বিখ্যাত। এখানে ৯৫% কৃষি জমিই চিংড়ি চাষে ব্যবহার হচ্ছে। প্রতি বছর চিংড়ি মৌসুমে এলাকার চিংড়ি চাষীরা মোটাংকে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জণ করে থাকেন। দেশের খুলনা জেলার কপিলমুনি এলাকার চিংড়ি চাষীদের একটা সুনাম থাকলেও কতিপয় চিংড়ি ব্যবসায়ীরা ওজন বাড়াতে প্রতিনিয়ত শাবু, ভাতের মাড় ও চাউলের পানি পুশ করে সে সুনাম ভেস্তে দিয়েছে। বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনকারী হিমায়িত চিংড়ি বাজারজাত করার সময় অনেকে ভাইরাসযুক্ত চিংড়ি মিশিয়ে দেয়।
তথ্যানুসন্ধানে দেখাযায়, ২০১০ সালে জানুয়ারী থেকে জুন ও জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থবছরে ১৫৯৭ কোটি ৬০ লাখ, ৪৯ হাজার ৯১৯ টাকার ৪ কোটি ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪৯ কেজি বাগদা গলদা এবং হরিণা, চাকা, চালি, টাইগার চিংড়ি সাদা মাছ রপ্তানি করা হয়। এর মধ্যে প্রথম ৬ মাসের অর্থ বছরে ১ কোটি ৪৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৪ কেজি ও ২ কোটি ৬০ লাখ ৩১ হাজার ৯ কেজি মাছ রপ্তানি হয়। ২০০৯ সালের জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থ বছরে  ২৬ কোটি ১১ লাখ ৫ হাজার ১১১.২৩ টাকার ৮ কোটি ১৬ লাখ ৩৮ হাজার ৬০৫ কেজি বাগদা, গলদা ও অন্যান্য সাদা মাছ রপ্তানি করে। ২০০৯ সালের হিসাব অনুযায়ী ২০১২ সালের আগষ্ট পর্যন্ত রপ্তানি কমেছে ১৮ কোটি টাকা। যার ফলে  সরকারের এখাতে রাজস্ব আয় মারাতœক হারে কমে যাচ্ছে। অপদ্রব্য পুশ করাকে কারণ হিসেবে দেখা গেছে ।
সূত্র জানায়, কপিলমুনি এলাকার কতিপয় ব্যবসায়ী বর্তমানে চিংড়িতে পুশ করা কাজ নিয়জিত রয়েছে। এরা চিংড়ি ক্রয় করেই গোপন স্থানে নিয়ে অপদ্রব্য পুশ করে থাকে। পুশ করা এসব চিংড়ি মাছ কোম্পানীতে অবাধে বিক্্ির হচ্ছে। পুশ করার কারণে বেলজিয়াম ও ইউকে থেকে হিমাইত চিংড়ি ফেরৎ এসেছে একাধিকবার। এব্যাপারে প্রশাসনের নজরদারী বাড়ানো জরুরী বলে মনে করছেন অভিজ্ঞমহল।
##
লতা ইউনিয়ন পরিষদে সভা
কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি ঃ
সোমবার সকাল ১১ টায় পাইকগাছার লতা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে সুশিলন শরিক প্রকল্পের উদ্যোগে ইউনিয়ন পরিষদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন ও সুশাসন উন্নয়ন পরিকল্পনা  রিভিউ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন কাজল কান্তি বিশ্বাস চেয়ারম্যান লতা ইউনিয়ন পরিষদ। উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য অনাথ বন্ধু মন্ডল, বীরেন্দ্র নাথ মন্ডল, দেবাশীষ রায়, জগদীশ মন্ডল, প্রধান শিক্ষক সুকুমার সরকার, শিক্ষক বাবুলাল মল্লিক,  সাবেক ইউ পি সচিব সত্যানন্দ রায়, ইউ পি সচিব মোঃ জাভেদ ইকবাল, উদ্যোক্তা মিথুন সরকার, সুশিলন শরিক প্রকল্পের এফ এফ মোঃ আদ্বুস সামাদ, মোঃ আব্দুল ফাত্তা, স্থায়ী কমিটির সদস্য বিপুল বিশ্বাস, আঃ জালাল সহ বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির সদস্য।