কপিলমুনিতে চোরাই মোটরসাইকেল সিন্ডিকেটের হোতা সুমন সহযোগীসহ আটক, মামলা দায়ের


335 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনিতে চোরাই মোটরসাইকেল সিন্ডিকেটের হোতা সুমন সহযোগীসহ আটক, মামলা দায়ের
নভেম্বর ৪, ২০১৫ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি প্রতিনিধি :

দক্ষিণ খুলনার চোরাই মোটর সাইকেল সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা সেই সুমন ও তার সহযোগী  দিপংকরকে আটক করেছে কপিলমুনি ফাঁড়ী পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ আব্বাস আলী সংগীয় ফোর্স সিয়ে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে অভিযান চালিয়ে মামুদকাটী গ্রামের গোপাল রায়ের ছেলে সুমন রায় (২৮) ও একই গ্রামের উদয় শিকদারের ছেলে দিপংকর শিকদার (২৬) কে আটক করে ফাঁড়ীতে নিয়ে যায়, সেখানে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বুধবার থানায় সোপর্দ করে। আটককৃতদের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। এলাকাবাসী ও বিভিন্ন সূত্র দাবী করছে, আটক সুমন বৃহত্তর খুলনা জেলার চোরাই মোটর সাইকেল সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা। সে ভারত থেকে দামী মোটর সাইকেল অবৈধভাবে দেশে এনে বিক্রি করে থাকে। এ সংক্রান্ত তথ্যবহুল ধারাবাহিক প্রতিবেদন ইতোপূর্বে বিভিন্ন  পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদ প্রকাশের পর সুমন পালাতক ছিল। উল্লেখ্য  রবিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে কপিলমুনির পার্শ¦বর্তী দঃ সলুয়া গ্রামের পরিতোষ দাশের ছেলে বিষ্ণুপদ দাশ (৩৭) তার নিজের ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটর সাইকেল চালিয়ে তার ব্যবসা কেন্দ্র থেকে বাড়ী ফেরার পথে মুচিরপুকুর নামক স্থানে পৌছালে ৭/৮ জনের একটি ছিনতাইকারী দল তার গাড়ির গতি রোধ করে বাঁশের সাথে বেঁধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে আহত করে। এসময় মোটর সাইকেল, ২টি মোবাইল ও কিছু নগত টাকা নিয়ে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়।

কপিলমুনির হাউলী গ্রামের মানুষ আজও বিদ্যুতের আলো বঞ্চিত!
পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা) :
কপিলমুনি শহর দেশের অন্যতম শীর্ষ মফঃস্বল বানিজ্যিক স্থান হিসাবে স্বীকৃত। পৌরসভার সব উপাদান এখানে বিদ্যমান থাকায় সংগত কারনেই কপিলমুনিকে পৌরসভা ঘোষণার এখন সময়ের দাবী। আর এই যৌক্তিক দাবী বিবেচনায় স্থানীয় এমপি এড. শেখ মোঃ নূরুল হক পৌরসভা বাস্তবায়নের জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। চলতি বছরের প্রথম দিকে এল জি আর ডি মন্ত্রনালয় থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌরসভার সীমানা নির্ধারণ পরিমাপের জন্য একটি স্বারক চিঠিও প্রেরিত হয়। সে হিসাবে কপিলমুনি পৌরসভা  বাস্তবায়নের বিষয়টা সরকার গুরুত্বের সাথে দেখছে। তবে গুরুত্বপূর্ন এই স্থানটির কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা হাউলী গ্রামটি এখনো রয়েছে অন্ধকারে। বৈদ্যুতিক সুবিধা না থাকায় নিকাষ কালো আঁধারে থাকতে হয় গ্রামের শত শত মানুষের। শত শত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবী, আর কর্মচঞ্চল মানুষে ঠাসা এ গ্রামটি। সূর্য অস্ত চলে গেলেই এক ভুতুড়ে পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যার কারণে আইন শৃংঙ্খলার অবনতি ঘটে হরহামেশায়। ২০২১ সালের মধ্যে ভিষন বাস্তবায়নের আওতায় অবহেলিত গ্রামটি পড়বে কিনা তা নিয়ে চিন্তিত গ্রামবাসী। কেননা গ্রামটির বিদ্যুতায়নের জন্য ২০০৪ সালে তৎকালিন এম পি অধ্যক্ষ শাহ মোহাম্মাদ রুহুল কুদ্দুস কর্তৃক সুপারিশকৃত ৩৯ জন স্বাক্ষরিত গ্রামবাসীর একটি দরখাস্ত পাইকগাছা সদরে পল্লী বিদ্যুৎ দপ্তরে প্রেরীত হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। পরবর্তিতে ২০১৪ সালে বর্তমান এম পি এড. শেখ মোঃ নুরুল হকের নিকট থেকে সুপারিশকৃত আরও ৭৯ জন স্বাক্ষরিত  একটি দরখাস্ত পাইকগাছা পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ে জমা দিলেও টনক নড়েনি তাদের। তাই বাধ্য হয়েই এ গ্রামের একাংশের কিছু নি¤œ ও মধ্যবিত্ত মানুষ নিজেদের কষ্টার্জিত এক লাখ সাতাত্তর হাজার টাকা খরচ করে নাসিরপর খালের পাশ হতে মেইন লাইন থেকে গ্রামের পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ পর্যন্ত পাঁচটি পোলের সাহায্যে তার এনে গ্রামের আংশিক এলাকায় বিদ্যুতায়ন করে। আর এ মসজিদ থেকে খোলা গ্রাম পর্যন্ত  সিংহ ভাগ এলাকা বিদ্যুৎবিহীন থাকায় গ্রামবাসীর নিদারুন কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। বিদ্যুতায়নের জন্য জনগনের একটি টাকাও খরচ হবেনা জননেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা এমন ঘোষনা করলেও পল্লী বিদ্যুতের কর্তা ব্যক্তিরা সেটা থোড়াই কেয়ার করেনি বলে গ্রামবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কপিলমুনির গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে এখানকার অর্থনৈতিক জোন হিসাবে পরিচিত গ্রামটির সর্বত্রই বিদ্যুতায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহ মাননীয় এম পি মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী গ্রামবাসী।