কপিলমুনিতে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা


425 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনিতে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা
আগস্ট ২০, ২০১৮ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি ::
ঈদ মানেই নতুন কিছু চাই, তা হোক পোশাক, কসমেটিক্স সামগ্রী, জুতা বা অন্য কিছু। রাত পোহালেই ঈদ। কপিলমুনির বাণিজ্যিক উপশহরে শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনার। তবে এবার ঈদের কেনাকাটা মানেই বিদেশি পণ্যের চাহিদা সব চেয়ে বেশি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কপিলমুনিতে শাড়ি কাপড়, ছিট বিতান, গার্মেন্টস দোকান, কসমেটিক্স ও জুতার দোকানগুলোতে শেষ মূহুর্তে বেচাকেনার ভিড় জমাচ্ছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষেরা। তবে এ সমস্ত বিপনী বিতানগুলোতে পুরুষ ক্রেতাদের তুলনায় নারী ক্রেতাদের সংখ্যা বেশী। মা বস্ত্রালয়ের মালিক বিপ্রোদাশ (ঝন্টু) তিনি জানান, গত বারের তুলনায় এবার ঈদের বিক্রয় অনেক ভাল। তবে কেনাকাটায় নারী, শিশু এবং বিশেষ করে ফ্যাশন সচেতন তরুণীরাই এগিয়ে। সাধ আর সাধ্যের সঙ্গে মিল রেখে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আপনজনদের জন্য করছেন কেনাকাটা, তাই তো ক্রেতা-বিক্রেতারা ব্যস্ত সময় পার করছেন পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্য দিয়ে। পোষাকের পাশাপাশি প্রসাধনী সামগ্রীর বিপনী-বিতানগুলোতেও ক্রেতাদের আগমন কোন অংশে কম নয়; এগুলোতেও ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এদিকে শহরের জুতা দোকানগুলোতেও ভিড় বেড়েছে পোশাকের সাথে মিল রেখে চলছে জুতা ক্রয়। এখন পর্যন্ত বেচাকেনা নিয়ে সন্তুষ্ট বিক্রেতারা। তবে দোকানদাররা জিনিসপত্রের দাম বেশি হাকছেন বলেও অভিযোগ ক্রেতাদের। তবে ঈদকে সামনে রেখে জুয়েলার্সের দোকাগুলো এক প্রকার ক্রেতা শূণ্য। কলেজ রোডের জুয়েলার্স মালিক বিপ্লব দত্ত বলেন, ‘এবছর সোনার দোকানে ঈদে কেনাবেচা খুই কম, ফলে আমাদের ব্যবসা ভীষণ মন্দা।
##