কপিলমুনিতে সরকারী খাস সম্পত্তি দখল করে ঘেরা-বেড়া দেওয়ার অভিযোগ


298 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনিতে সরকারী খাস সম্পত্তি দখল করে ঘেরা-বেড়া দেওয়ার অভিযোগ
ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি ::

খুলনার কপিলমুনিতে কপোতাক্ষের তীরবর্তী জেগে উঠা চরভরাটি সরকারী খাস খতিয়ানের জায়গা অবৈধ ভাবে দখল করে ঘেরা-বেড়ার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আর এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তবে এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তাসহ উপজেলা কমিশনার (ভূমি) এর জরুরী হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।

জানাযায়, পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি মোকামের সিনেমা হল এলাকার কাটগোলায় কপোতাক্ষ বাইপাস সড়কের পাশে চরভরাটি জায়গার প্রসারতা বৃদ্ধির পায়। এর একপর্যায় পার্শ্ববর্তী জমির মালিকগণসহ জমি সংলগ্ন চরভরাটি জায়গা নিজেদের দখলে নেয়। তখন কপিলমুনি ভূমি অফিসে নিয়োজিত ভূমি কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে থমকে যায় সরকারী খাস সম্পত্তি দখল প্রক্রিয়া। কিন্তু সম্প্রতি কপিলমুনির নগরশ্রীরামপুর মৌজায় কাঠগোলা নামকস্থানে জনৈক মিজানুর রহমান গং মালিকানাধীন ২০ দাগের আনুমানিক ১৬ শতক জমি কপিলমুনির জনৈক শেখ ময়নুল ইসলাম উক্ত সম্পত্তি আনুমানিক খরিদ করেছেন বলে জানাযায়। এরপর শুক্রবার সকালে খরিদকৃত সম্পত্তি দখলে নিতে সিমেন্টের পিলার ও কাটা তারের ঘেরা-বেড়া শুরু করে জনৈক ময়নুল। তবে খরিদা সম্পত্তি ১৬ শতক হলেও তিনি সরকারী খাস সম্পত্তিসহ প্রায় ২০ থেকে ২২ শতক সম্পত্তি দখলে নিলে বাধে-বিপত্তি, নড়ে চড়ে বসেন স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তা জাকির হোসেন। তাৎক্ষণিক স্থানীয় নায়েব খাস জমি দখল ছেড়ে দিতে বলেন মইনুলকে। কিন্তু তাতে করে দখলদার কোন রকম কর্ণপাত না করে দখল অব্যাহত রেখেছেন। আর এ সংক্রান্ত তদবীর মিশন নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের দপ্তর চষে বেড়াচ্ছেন একটি স্বার্থন্বেষী মহল।
এবিষয়ে কপিলমুনি ভূমি কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, আমি খবর পেয়ে সরকারী খাস সম্পত্তি থেকে সিমেন্ট ও রড় যুক্ত পিলারসহ কাটাতারের বেড়া সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলেছি। এমনকি দখলের বিষয় ভূমি সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। গায়ের জোরে ও প্রভাবখাটিয়ে কেউ অবৈধভাবে সরকারী খাস সম্পত্তি দখল নিতে পারবে না। আর এমন অবস্থার সৃষ্টি হলে প্রয়োজনে তার বিরুদ্ধে আইনানুগব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

#