কপিলমুনিতে স্বামীর পরকীয়ায় স্ত্রীর আত্মহত্যা


405 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনিতে স্বামীর পরকীয়ায় স্ত্রীর আত্মহত্যা
ডিসেম্বর ২৭, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কপিলমুনি প্রতিনিধি :
কপিলমুনিতে স্বামীর পরকিয়ায় স্ত্রীর কপিলমুনিতে স্বামীর পরকীয়ায় স্ত্রীর আত্মহত্যার পর বেরিয়ে আসছে স্বামী আকরামের নাজানা অনেক তথ্য। পুলিশ মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
সূত্র জানায়, কপিলমুনির পার্শ্ববর্তী নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আকরাম হোসেন অরফে লেদ আকরামের স্ত্রী রেহানা পারভীন (২৬) বিষপানে আতœহত্যা করেছে। স্থানীয়দের মুখে চাউর হচ্ছে প্রতিবেশী মনু বাজাদারের মেয়ে আম্বীয়া (৩৭) এর সাথে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে আকরাম, বিষয়টি সহ্য করতে না পেরে রেহানা গত ২৬ ডিসেম্বর  দুপুর ৩টার দিকে স্বামীর বাড়িতে ফিনিস (কীটনাশক) পান করে। ওই দিন তালা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র দাবী করছে, রেহানার স্বামী আকরাম বিভিন্ন সময় তার উপর শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করতো। নির্যাতনের হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর আকুতি জনপ্রতিনিধিসহ অনেককে জানালেও কোন ফল আসেনি। আকরাম রেহানাকে বিয়ে করার আগে ওই এলাকার জনৈক ময়নাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে। রেহানা আতœহত্যার ঘটনা অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে একাধিক অবৈধ প্রেমের কাহিনী। ওই এলাকায় একাধিক বাড়ি ভাড়াটিয়ার মেয়ের সাথে আকরামের মেলামেশার খবরও বেরিয়ে আসতে থাকে। শুধু তাই নয়, আকরাম বিভিন্ন সময় নেশাগ্রস্ত ও মদ্যপ অবস্থায় থাকতো।
এদিকে ‘স্বামীর পরকীয়ায় স্ত্রীর আতœহত্যা’র খবর মঙ্গলবার বিভিন্ন দৈনিক ও অনলাইনে প্রকাশিত হওয়ায় খবরটি ছিল টক অব দ্যা টাউন। স্থানীয়রা খবরটি পড়ে অকপটে আকরামের শাস্তির দাবী করতে থাকেন।
রেহানার মা তালা থানার কাইদিয়া গ্রামের সেতারা বেগম বলেন, ‘আমার মেয়েকে নারী লোভী আকরাম আতœহত্যা করতে বাধ্য করেছে। আমি তার শাস্তি চাই’।
এবিষয়ে তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, ‘বিষ পানে রেহানার মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে’। সাতক্ষীরা জেলার তালা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।