কপিলমুনির নাবা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ


394 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনির নাবা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
এপ্রিল ২৮, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি :
কপিলমুনির নাবা সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
জানাযায়, পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনির ৭নং নাবা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে বিদ্যালয়টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত ওই অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যালয়টিতে যথাযথ ভাবে পাঠদান করা হয় না। শ্রেণী কক্ষে শিক্ষকগণ ২৫/৩০ মিনিটের বেশী সময় অবস্থান করেন না। শিক্ষা উপকরণ বা পাঠটিকা  শিক্ষার্থীরা কোন দিন দেখেনি।  তাছাড়াও বেশীর ভাগ শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষিকা করুনা রানী দাশের  নির্দেশনা তোয়াক্কা করেন না। গত ২৩ এপ্রিল ১ম সাময়িক পরীক্ষা শুরুর দিন শিক্ষর্থীদের পরীক্ষায় আসন ব্যবস্থা ঠিক করা হয়নি পরীক্ষা শুরুর ১০মিনিট পর অভিভাবকরা ব্যক্তি উদ্যোগে বিভিন্ন শ্রেণী কক্ষ থেকে বেঞ্চ সংগ্রহ করে পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের বসার ব্যবস্থা করেন। অন্যদিকে ২য় শ্রেণীর শিক্ষার্থীর প্রশ্নপত্র ১ম শ্রেণী শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়। প্রধান শিক্ষক করুনা রানী দাশ ও অধিকাংশ সহকারী শিক্ষকদের এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনা আর অনিয়মের বিষয়টি বর্তমানে অভিভাবকদের কাছে খুবই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তাই অভিভাবকরা এ অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন।
এবিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা করুনা রানী দাশের বক্তব্য নেওয়ার জন্য মোবাইল ফোনে বৃহস্পতিবার কয়েক বার ফোন দিলে ফোনটি বন্ধ থাকায় তাঁর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।
বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু বলেন, প্রধান শিক্ষক চরম অবহেলা আর অনিয়মের মধ্যদিয়ে  বিদ্যালয়টি পরিচালনা করছেন, কিন্তু কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এভাবে চলতে পারে না। অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, সেচ্ছাচারী এসব শিক্ষকদের অবিলম্বে বদলী করা না হলে তারা ছেলে মেয়েদের এই বিদ্যালয়ে পাঠাবেন না। তাই অনতি বিলম্বে প্রধান শিক্ষক করুনা দাশ ও সহকারী শিক্ষিকা অপর্না সরকারের আপসারণ চাই।
এবিষয়ে পাইকগাছা উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ইসলামুল হক দৈঃ খুলনাঞ্চল’কে বলেন, আমি অভিযোগের ভিত্তিতে নাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে তদন্তে গিয়েছিলাম। সেখানে অসংখ্য অভিভাবকের সাথে কথা বলেছি। তারা তাদের অভিযোগ আমাকে বলেছেন। ইতোমধ্যে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।