কপিলমুনির প্রধান সড়ক খোয়া উঠে গর্ত হয়ে গেছে


237 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনির প্রধান সড়ক খোয়া উঠে গর্ত হয়ে গেছে
সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

×প্রায় সময় ঘটে দূর্ঘটনা

×পঁচা কাদার দূর্গন্ধে নাভিশ্বাস মানুষের

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি ::

‘সেদিনও বেগুন নিয়ে আসার সময় ঠিক এই জায়গায় ভ্যান উল্টে গিয়েছিল। আজও সেই একই অবস্থা। সেদিন ভ্যান মেরামত করতে একগাদা টাকা খরচ করেছিলাম, আজও এক কাড়ি টাকা গচ্চা যাবে। আর পরা যায় না।’
খুলনা-পাইকগাছা প্রধান সড়কের কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির স্কুল এন্ড কলেজের গেটের সন্নিকটে পিচ খোয়া উঠে গর্ত হওয়া জায়গায় উল্টে যাওয়া মালবাহী ভ্যানের চালক করিম সরদার (৪৮) উপরোক্ত কথাগুলো বলছিলেন। কপিলমুনি বাজারে মালামাল নিয়ে আসা ভ্যান চালক করিমের ভ্যানটি বুধবার দুপুরে যখন উল্টে যায় তখন তিনি নিজে নিজেই খানিকটা রাখ-রাগ কন্ঠে কথা গুলো বলছিলেন, আর তখন তার সমস্ত শরীর ঘামছিল, চোখে মুখে পুরো শরীর জুড়ে ক্লান্তি আর ক্ষোভের ছাপ দেখা যাচ্ছিল, ‘তিনি এ প্রতিবেদককে দেখে আরো বলেন বাবা একটু লেখেন, ছবি তুলে পেপারে দেন যদি কাজ হয়।’
চলতি বর্ষা মৌসুমে কপিলমুনি বাজারের প্রধান সড়কের কয়েকটি জায়গায় পিচ খোয়া উঠে গর্ত হয়ে যাওয়ায় যান বাহন ও পথচারী চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। তাছাড়া পুরো রাস্তা জুড়ে পঁচা কাঁদাপানি আবর্জনা আর দূগর্ন্ধ মানুষকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে। প্রায় সময় গর্তে পড়ে ছোট খাটো যানবাহন ভেঙেচুরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আর আহত হচ্ছেন যাত্রীরা। এ অবস্থা পুরো বর্ষা মৌসুম জুড়ে হলেও যেন তার পরিবর্তন নেই, রাস্তা সংস্কারে নেই তেমন কোন উদ্যোগও। ফলে চরম দূর্ভোগের শিকার হতে চচ্ছে অসংখ্য মানুষকে।
পিকাপ চালক সাইফুল আলম বলেন, ‘প্রতিদিন দু’বার আমার গাড়ী নিয়ে এই রাস্তায় চলতে হয়, রাস্তার কয়েকটি জায়গা ভাঙাচোরা হওয়ায় আমার গাড়ীর টায়ার, পাতিসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’
প্রধান সড়কের সারের দোকানদার মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই ভাঙা রাস্তা দিয়ে বিশেষ করে এ্যাম্বুলেন্সে করে রোগী আনা নেওয়া করতে রোগীর জীবন বেরিয়ে যায়-যায় অবস্থা হয়। তাছাড়া রাস্তা দিয়ে চলতে গেলে গর্তে জমে থাকা পঁচা পানি গাড়ীর চাকায় ছিটকে লেগে গায়ের জামাকাপড় ভিজে যায়। রাস্তার গর্তের যা অবস্থা তাতে এক্ষুনি মেরামত করা দরকার, তা না হলে ওই গর্ত আরো বড় হয়ে সমস্যা সৃষ্টি হবে।’