কপিলমুনির বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর, লুটপাটের অভিযোগে মামলা


246 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনির বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর, লুটপাটের অভিযোগে মামলা
জানুয়ারি ১৭, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কপিলমুনি প্রতিনিধি ঃ
কপিলমুনির একটি পরিবারকে বসত বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে ভোর রাতে হামলা চালিয়ে বসত ঘর ভাংচুর, লুট-পাট, বাড়ির মালিক দম্পতিকে বেধড়ক মারপিট ও গৃহকত্রীকে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার শিকার জুলেখা বেগম পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পাইকগাছা থানাকে ঘটনার তদন্ত পূর্বক এজাহার গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছে।
মামলার বিবরণ ও অভিযোগে প্রকাশ, উপজেলার কপিলমুনির নাছিরপুর এলাকার মোঃ মান্দার গাজী ও তার স্ত্রী মোছা: জুলেখা বেগম (৫০) ২০১৫ সালের ২৬ জানুয়ারী নাছিরপুর মৌজার এসএ ১২৮,তৎপর ১২৮/১, পরবর্তীতে ৩৫৬ ও ডিপি ৬২৮ নং খতিয়ানের এসএ ৪১৭ ও ডিপি যথাক্রমে ১২০৪, ১২১৯ ও ১২২৮ দাগের মধ্য থেকে ০.০১৫০ একর জমি খরিদ করে সেই থেকে গৃহ নির্মাণ ও বৃক্ষাদি রোপন করে শান্তিপূর্ণ ভোগ-দখলে রয়েছেন। তবে প্রায়ই পার্শ্ববর্তী হরিদাশকাটী গ্রামের হোসেন মোড়লের দু’ছেলে যথাক্রমে সিদ্দিক মোড়ল (৪২) ও ইমদাদ মোড়ল (৩৮) বহিরাগতদের সাথে নিয়ে তাদেরকে সেখান থেকে উচ্ছেদ অপচেষ্টা চালাতে থাকে। যার প্রেক্ষিতে ঐ দম্পতি স্থানীয় সহকারী জজ আদালতে উপরোক্তদের বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে একটি মামলা করেন। যার নং-দেঃ৫৫/১৮। মামলায় আদালত সেখানে স্থীতিবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দেয়। এরপরও তারা তাদের সেখান থেকে উচ্ছেদ করতে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখে। এক পর্যায়ে ঘটনার দিন গত ১৪ জানুয়ারী ভোর আনুমানিক ৫ টার দিকে সিদ্দিক ও তার ভাই ইমদাদ মোড়ল অজ্ঞাত পরিচয় আরো ৫/৬ জনকে সাথে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রসহ তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর শুরু করে। এসময় জুলেখা ও তার স্বামী মান্দার গাজী বাঁধা প্রদান করলে তারা তাদেরকে বেদম প্রহার করে। এসময় তারা জুলেখাকে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটায়। এসময় অন্যান্যরা ঘর-বাড়িতে তান্ডব চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। একই সময় তারা ঘরে রক্ষিত সোকেচের তালা ভেঙ্গে প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার লুট করে। একপর্যায়ে তাদের আতœচিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে তারা তাদেরকে খুন করে লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে চলে যায়। এসময় স্থানীয়রা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে ক্লিনিকে নেয়। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে জুলেখা বেগম ঐ দিনই পাইকগাছা বিজ্ঞ সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দঃবিঃ ১৪৩/৩২৩/৩০৭/৩৮০/৫০৬(২) ধারায় সিদ্দিক ও তার ভাই ইমদাদসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরো৫/৬ জনকে আসামী করে একটি মামলা করেন। বর্তমানে জুলেখার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।
এব্যাপারে অভিযুক্ত সিদ্দিক বলেন, ‘আমার জায়গায় আমি দখলে আছি, এটা কোন সমস্যা না। ’