কপিলমুনি থেকে চুরি হয়ে যাওয়া লক্ষাধিক টাকার সামগ্রী উদ্ধার


123 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনি থেকে চুরি হয়ে যাওয়া লক্ষাধিক টাকার সামগ্রী উদ্ধার
জুলাই ৩১, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পলাশ কর্মকার ::

কপিলমুনি থেকে চুরি হওয়া লক্ষাধিক টাকার সেন্টারিং সামগ্রী (বাঁশ ও তক্তা) তালার ঘোষ নগরের একটি পরিত্যাক্ত বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার ভোররাতে চোরেরা তাদের গোপনে রাখা বাঁশ ও তক্তা সরিয়ে ফেলছে এমন খবর পেয়ে ভুক্তভোগী মালিক রাজমিস্ত্রী কপিলমুনির নাছিরপুর গ্রামের মৃত মালেক গাজীর পুত্র মোহাম্মাদ আলী, ঘোষনগর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রকাশ দালাল ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের সহায়তায় লক্ষাধিক টাকার তক্তা ও বাঁশ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনে কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মোহাম্মাদ আলী।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, মোহাম্মাদ আলী তার ১৬ শ ফুট তক্তা ও বাঁশ সেন্টারিং এর জন্য ১ মাসের চুক্তিতে ভাড়া দেয় এলাকার প্রদীপ হোড় নামের অপর এক মিস্ত্রীর নিকট। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও ভুক্তভোগী মোহাম্মাদ আলীর মালগুলো ফেরৎ না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানার এক পর্যায় এক মাসের ভাড়া ও কিছু মাল ফেরৎ দেয় প্রদীপ। বাকী ১ হাজার ফুট তক্তা অন্যত্রে ভাড়ার কথা বলে আয়ত্বে রেখে দেয় প্রদীপ ও তার সহযোগীরা। এরপর প্রদীপ বিভিন্ন যায়গায় ভাড়া দিয়েছে মর্মে জানিয়ে সময় ক্ষেপন করতে থাকে। সৃষ্ট ঘটনায় ৮ মাস গড়ায়। এমতাবস্থায় প্রদীপ তক্তা ও বাঁশ তার ঘোষনগরের ক্রয়কৃত পরিত্যাক্ত বাড়িতে রেখে তালবাহানা করতে থাকে। এক পর্যায়ে বাঁশ ও তক্তা দিতে অস্বীকার করলে বেচারা মোহাম্মাদ আলী লক্ষাধিক টাকার সেন্টারিং সামগ্রীর চিন্তায় হতভম্ব হয়ে পড়ে। অনাহারে, অর্ধাহারে দিন কাটতে থাকে তার। মালের সন্ধানে পাগলপ্রায় মোহাম্মাদ আলী হন্নে হয়ে খুঁজতে থাকে তার মালামাল। এদিকে ধুর্ত প্রদীপ উক্ত তক্তা ও বাঁশ সরিয়ে ফেলতে ঘটনার দিন গত শনিবার ভোররাতে তার সহযোগী মান্নান, মিনারুল, রামপ্রসাদ ও রবিউলদের সহযোগীতায় ঐ মালামাল অন্যত্রে সরিয়ে ফেলছে এমন খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গন্যমান্য ব্যাক্তিদের সহায়তায় উদ্ধার হলেও এখনও পর্যন্ত প্রদীপ তার মালামাল ও টাকা সম্পুর্ণ বুঝে দেয়নি বলে জানান ভুক্তভোগী মোহাম্মাদ আলী। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মোহাম্মাদ আলী।

#