কপিলমুনি পৌরসভা গঠনসহ নানা উন্নয়নের আশার আলো দেখছেন এলাকাবাসী


80 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনি পৌরসভা গঠনসহ নানা উন্নয়নের আশার আলো দেখছেন এলাকাবাসী
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পলাশ কর্মকার ::

দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক মোকাম অবহেলিত কপিলমুনির উন্নয়নের নতুন দিগন্তের দ্বার খুলছে। উন্নয়নের দাবি ও প্রত্যাশা দীর্ঘদিনের হলেও অদ্যবধি প্রাপ্তির ছিটে ফোঁটাও ভাগ্যে জুটেনি এ জনপদের মানুষের। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, এমপি ও নামি দামি নেতারা কপিলমুনির উন্নয়নে গালভরা অনেক বক্তব্য দিলেও সেটা ছিল স্রেফ বাহবা কুড়ানোর কথার ফুলঝুঁরি। থানা কিম্বা পৌরসভা গঠনের জন্য এর ভৌগলিক অবস্থান, চমৎকার স্থল ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থা, জনসংখ্যাসহ সম্ভাব্য সব উপাদান বিদ্যমান থাকলেও এখনো পর্যন্ত থানা কিম্বা পৌরসভা গঠন করা হয়নি। মূল্যায়ন করা হয়নি আধুনিক কপিলমুনির রুপকার দেশ বরেণ্য দানবীর স্বর্গীয় রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধুর অসিম ত্যাগকে। তবে নিরাশার মধ্যে হঠাৎ আশার আলো দেখছেন কপিলমুনিবাসী। কপিলমুনির কৃতি সন্তান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ কপিলমুনির সার্বিক উন্নয়নে নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। ইতোমধ্যে কপিলমুনি বাসির প্রাণের দাবি কানাইদিয়া- কপিলমুনি নির্মাণাধীন পরিত্যাক্ত ব্রীজটি পুননির্মাণ, যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন নির্মাণের যৌক্তিক দাবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকারের উচ্চ মহলের সাথে গত ২০ জানুয়ারী তিনি আলোচনা করেছেন। অত্যন্ত ফলপ্রসূ এ আলোচনায় সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের কারণে কপিলমুনিবাসী এখন নতুন সুখ স্বপ্নে বিভোর রয়েছেন। ইতোমধ্যে ২০ কোটি টাকা বরাদ্ধে কপিলমুনি ভরত চন্দ্র হাসপাতাল ১০ শয্যা থেকে ২০ শয্যায় উন্নীত সহ ব্যাপক সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। ২ কোটি টাকার কপিলমুনি মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স নির্মান প্রকল্পের টেন্ডার হয়েছে। যা গত ৯ ডিসেম্বর কপিলমুনি মুক্তদিবসের অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জামেল হক এর ফলক উন্মোচন করেন। পৌরসভা গঠনের প্রাথমিক কাজও সমাপ্তির পথে। কপিলমুনির সার্বিক উন্নয়নে কপিলমুনি বাসীর স্বপ্ন সারথি এমপি আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু ও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ উন্নয়নে কতদূর কপিলমুনিকে নিয়ে যেতে পারেন তা দেখার জন্য মুখিয়ে আছে কপোতাক্ষির অববাহিকায় লালিত এ জনপদের প্রায় দুই লক্ষাধিক মানুষ। এছাড়া কপিলমুনির আরও দুই কৃতি সন্তান চায়নার গুয়াংজু, ষ্টেইট ব্যুরো অব ফরেইন এক্সপার্ট (সহকারী অধ্যাপক) জি এম আমিনুল ইসলাম ও লিড্স কর্পোরেশন লি: এর সহকারী জেনারেল ম্যানেজার শেখ আব্দুল্যাহ আল মামুন কপিলমুনির উন্নয়নে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন।
এবিষয়ে কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কওছার আলী জোয়ার্দার বলেন, ‘কপিলমুনি একটি ঐতিহ্যবাহী প্রচীন স্থান, এখানে রয়েছে একটি প্রসিদ্ধ বাণিজ্যিক কেন্দ্রও। কিন্তু পূর্বে তেমন কোন উন্নয়ন এখানে হয়নি, তবে বর্তমানে পৌরসভা গঠন প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে আমরা স্বাগত জানাই।’

#