কপিলমুনি ভূমি অফিসের ভবন জরাজীর্ণ অবস্থা


535 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনি ভূমি অফিসের ভবন  জরাজীর্ণ অবস্থা
মে ১৮, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি :
দূর থেকে দেখতে অনেকটা খুপড়ি ঘরের  মতো, দেওয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে, তীব্র গরমে ১টি মাত্র সেকালের সিলিং ফ্যান ঘুরছে তাও থেমে থেমে, ভেতরে পর্যাপ্ত বসবার জায়গাও নেই, পাশে জমে থাকা পঁচা পানির দূর্গন্ধে যেন পেট পুরে উঠে। কপিলমুনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সরেজমিনে গেলে এমনটি পরিলক্ষিত হয়।

জানাযায়, কপিলমুনি বাজারের মধ্যভাগে কপিলমুনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসটি ১৮শতক জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। আর প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এখানে কপিলমুনি ও হরিঢালী ইউনিয়নের মানুষ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ সহ জমিজমা সংক্রান্ত সেবা পেয়ে আসছেন। প্রতিনিয়ত এই অফিসটিতে মানুষ সেবা নিয়ে আসলেও অফিস ভবনের সেবায় আজও এগিয়ে আসেননি কেউ। অফিসটি প্রচীর বেষ্টিত হলেও পাচীরের উচ্চতা এতো কম যে; হয়তো লফিয়েই ভেতরে ঢোকা সম্ভব। বর্ষ মৌসুমে অফিস ভবনটি ১ফুট পানির নিচে থাকে। ছিল গণসৌচাগার সেটা আজ অকেজো। পর্যাপ্ত আসবাবপত্রও না থাকায় অফিসের কাজে আসা মানুষকে কখনো কখনো দাঁড়িয়ে থাকতেও দেখা যায়। অফিসটি সমতল ভূমি থেকে মাত্র ৮ ইঞ্চি উঁচু। এখানে কর্মরত রয়েছেন, ১জন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, ১জন উপ-সহকারী কর্মকর্তা ও ৩জন অফিস সহায়ক।

কপোতাক্ষ নদীর নব্যতা ফিরিয়ে আনতে সরকার জরুরী ভিত্তিতে নদী খনন করছে। বর্তমানে নদীটির কপিলমুনি অংশে খনন চলমান, তাই চলতি বর্ষা মৌসুমে বর্ষার পানি নদীতে যাচ্ছে না, বৃষ্টি হলেই জায়গার পানি জায়গায় থেকে যাচ্ছে। ফলে জলাবদ্ধতার বিষয়টি মাথায় নিয়ে বাজার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বাজারটি উঁচু করণের কাজ করছে, আর তাই বর্তমান অবস্থায় বাজার থেকে ২ফুট নিচু ভূমি অফিস। একটি টিউবয়েল রয়েছে সেটাও বর্ষা মৌসুমে পানিতে ডুবে থাকে। এমনিতে এখনই অফিস চত্ত্বরের একাংশ পানিতে তলানো। এলাকাবাসী বলছেন, একটু ভারী বর্ষা হলেও কপিলমুনি ভূমি অফিস ৩ফুট পানির নিচে নিমজ্জিত হবে। অফিসটিতে ভূমির কর দিতে আসা হরিঢালী ইউনিয়নের সোনাতন কাটী গ্রামের সৈয়দ আকবর হোসেন বলেন, ‘এই ভবনটি অনেক পুরনো, তাই এটি ভেঙ্গে আধুনিক ভবন করা প্রয়োজন। এছাড়া সময়ের প্রয়োজনে বইপত্র,  লেজারগুলো সুরক্ষিত ও ডিজিটালাইজড করা প্রয়োজন’।

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আবু বকর সিদ্দিক বলেন ‘বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই অফিস ভবন উঁচু করা দরকার, তা না হলে সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে’। তিনি আরো বলেন, ‘২৫ এপ্রিল ভবন সংস্কারের বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খুলনা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন দেওয়া হয়েছে’।
এ প্রসঙ্গে পাইকগাছা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ নাজমুল হক দৈনিক খুলনাঞ্চলকে বলেন, ‘ভূমি অফিসটির বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বলেছি, আপাতত অফিসটি উঁচু