কপিলমুনি সংবাদ ॥ গুণীজন স্মৃতি সংসদের সভা


412 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনি সংবাদ ॥ গুণীজন স্মৃতি সংসদের সভা
জানুয়ারি ১৫, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কপিলমুনি প্রতিনিধি :
কপিলমুনিতে গুণীজন স্মৃতি সংসদের জরুরী সভা শুক্রবার বেলা ১১ টায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে সভাপতি আঃ সবুর আল-অমীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংগঠনটির উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি এম আজাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক পলাশ কর্মকার, সহ-সাঃ সম্পাদক এম আজিজুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অর্জুন কর্মকার, ক্রিড়া সম্পাদক মহানন্দ অধিকারী মিন্টু, সদস্য দীপ অধিকারী, প্রদীপ সরকার, সুশান্ত চন্দ্র প্রমুখ।
##

কপিলমুনিতে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার ও কেনাবেচা হচ্ছেই
পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি ঃ
পলিথিন ব্যাগ বিক্রি বা ব্যবহার সরকার থেকে একেবারেই নিষিদ্ধ ঘোষণা থাকলেও সেটা যেন কপিলমুনি এলাকায় কেউই মানছেন না। ক্রেতা, বিক্রেতা ও ব্যবহারকারী সকলেই যেন পরিবেশ রক্ষাকারী এ আইনের প্রতি বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে চলেছেন।
জানাযায়, কপিলমুনিসহ এলাকার প্রত্যেকটি বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার বাড়ছে। কাগজ, নেট ও পাটের ব্যাগের তুলনায় সস্তা হওয়ায় দোকানীরা পলিথিন ব্যাগ বিক্রির দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। তারা মাছ তরিতরকারীসহ যাবতীয় পণ্য সামগ্রী বিক্রিতে পলিথিন ব্যবহার করছেন। এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা লাভের জন্য পরিবেশের জন্য মারাতœক ক্ষতিকারক এই পলিথিন ব্যাগ  প্রকাশ্যে বিক্রি করলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন রয়েছে নির্বিকার। কপিলমুনি বাজারসহ মামুদকাটী বাজার, মামুদকাটী মোড় বাজার, কাশিমনগর বাজার, আগড়ঘাটা বাজার, সোনাতনকাটী বাজার ও শামুকপোতা বাজারের অধিকাংশ মুদি ও কসমেটিকস্ দোকানে বিক্রি হচ্ছে পলিথিন ব্যাগ।
তথ্যানুসন্ধানে জানাযায়, পরিবেশ ও উদ্ভিদের মারাতœক ক্ষতিকারক পলিথিন ব্যবহার ও বিক্রি প্রায় ৮ বছর পূর্বে সরকার নিষিদ্ধ করে। তখন উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন, পলিথিনগুলো সহজে পচে না, ফলে এতে উদ্ভিদের শেকড় সহ শাখা বিস্তারে সমস্যা দেখা দেয়। একইভাবে ওই পলিথিন ভবন নির্মানের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া পলিথিন স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণ। এজন্য ওই সময় সরকার কর্তৃক পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করে নেট ও পাট ও কাগজের  ব্যাগ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু সরকারের সে পরামর্শ বা নির্দেশনা কোন কাজে আসেনি বরং নিয়ম-নীতির প্রতি বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে এক শ্রেণী অসাধু অর্থলোভী ব্যবসায়ীরা তাদের অবৈধ ব্যবসা এক প্রকার প্রকাশ্যেই চালিয়ে যাচ্ছেন।
পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারের অধিক আকর্ষণের কারণ হিসাবে অনেকেই উল্লেখ করে কপিলমুনি বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, এটি খুব সহজেই ব্যবহার যোগ্য ও তুলনামূলক দামে অনেক কম বলেই আমার ব্যবহারের প্রতি আগ্রহটা বেশি। মাছ বিক্রেতা তমেজ আলী জানান, ক্রেতা সাধারণ সহজেই এটি পছন্দ করেন, বিশেষ করে আমাদের মাছ বাজারে পলিথিনের ব্যবহারটা সব চেয়ে বেশি। সুত্রমতে, ইতোপূর্বে কপিলমুনি বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালিয়ে হাজার হাজার পলিথিন জব্দ করেন কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, কিন্তু তাতে ও থেমে থাকেনি অবৈধ পলিথিন ক্রয়-বিক্রয়।