কপিলমুনি সংবাদ ॥ ঝালাই কারখানার কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে মানুষ


226 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কপিলমুনি সংবাদ ॥ ঝালাই কারখানার কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে মানুষ
জানুয়ারি ২৮, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পলাশ কর্মকার :
কপিলমুনির ব্যাস্ততম প্রধান সড়কের দু’পাশ জুড়ে গড়ে উঠা ঝালাই কারখানার হেল্ডিং মেশিনে ব্যবহৃত কার্বনদন্ডের বিষাক্ত ধোঁয়ায় পরিবেশ মারাত্বক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
জানাযায়, পরিবেশ অধিদপ্তরের নজরদারী না থাকায় কপিলমুনিতে কার্বনদন্ডের বিষাক্ত ধোয়ায় পথচারী সহ বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুরা মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। কপিলমুনি শহরের পাইকগাছা খুলনাগামী প্রধান সড়কের গোলাবাটির বালীর আড়ৎ থেকে শুরু করে শহরের হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তার দ’পাশ জুড়ে প্রায় ডজন দুয়েক ঝালাই কারখানা বা দোকান গড়ে উঠেছে। এ সকল কারখানায় সকাল থেকে রাত অবধি বিভিন্ন যানবাহনের ধাতব যন্ত্রাংশ কিম্বা গৃহনির্মাণ সামগ্রী সংস্কার ও তৈরী করা হয়। আর এ সমস্ত কাজে ব্যবহৃত কার্বনদন্ডের কালো বিষাক্ত ধোয়া চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। যা চোখের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। ফলে পথচারী সহ স্কুলে যাতায়াতকারী শিশুরা মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। শুধু পথচারী বা শিক্ষার্থী নয় আশপাশের দোকানীরাও স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। প্রতিনিয়ত তাদেরকে এই বিষাক্ত ধোয়া সেবন করে চলতে হচ্ছে। এ ছাড়া হোল্ডিং মেশিনে ব্যবহহৃত কার্বনদন্ডের অক্্ির হাইড্রোজেন শিখা থেকে বিচ্চরিত অতি বেগুনী ক্ষতিকর আলোকরশ্মি স্বাস্থ্য ঝুকিতে আরো বিপদজনক করে তুলেছে। কারখানার মালিকরা কোন নিয়ম নীতি না মেনে ঝালায়ের কাজ করে চলেছেন। কোন কোন কারখানা বা দোকানের মালিক কিম্বা শ্রমিকরা সরাসরি রাস্তার পাশেই খোলামেলা ভাবে ঝালায়ের কাজ করছেন।
জানা যায়, রাস্তার পাশে ঝালায়ের কাজ করার সময় কার্বনের লাল নীল আলোক রশ্মিতে কৌতুহলী হয়ে স্কুলের শিশুরা দল বেধে প্রতক্ষ করে। যা অত্যন্ত বিপদজনক। চিকিৎসকরা জানান, কার্বনদন্ডের আলোক রশ্মি শুধু চোখ ও চামড়ার ক্ষতি করেনা। এর ধোয়া ফুসফুস ও হৃদপেশির মারাত্বক ক্ষতি করে। এ ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকির হাত থেকে রক্ষার জন্য গত বছরের প্রথম দিকে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিট্রেট এর নির্দেশে সব কারখানা বা দোকানের সামনে কালো পর্দায় আবৃত করে কাজ করা হত। কিন্তু বর্তমান সে নির্দেশ উপেক্ষিত হচ্ছে। কোন কারখানা বা দোকানে কালো পর্দা দেখা যাচ্ছেনা। মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুঁকির হাত থেকে রক্ষার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন কপিলমুনিবাসী।

#

কপিলমুনিতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
স্টাফ রিপোর্টার, কপিলমুনি ঃ কপিলমুনির শহরতলীর হরিঢালী ইউনিয়নের হরিদাশকাটি গ্রামে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে দিনব্যাপী হরিদাশকাটি মাঠে ওই মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
ক্লাবের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করে হরিদাশকাটি স্পোটিং ক্লাব। সার্বিক সহযোগিতায় ছিল খুলনার গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
দিনব্যাপী ওই মেডিকেল ক্যাম্পে রোগী দেখেন গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. আমিনা জান্নাত পিয়া, কার্ডিওলজি বিভাগের ডা. এম এম আব্দুস শামীম ও ফিজিওথেরাপিস্ট আবু হাসনাত প্রিন্স। ওই ক্যাম্পে মোট ৪২০ জন রোগীকে সেবা দেওয়া হয়।
ওই মেডিকেল ক্যাম্পে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হরিদাশকাটি স্পোটিং ক্লাবের সভাপতি শেখ শাহনুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক খান জাবেল হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক শেখ সাহান আব্দুল¬াহ, ক্লাবের অন্যতম সদস্য আব্দুল হাই সিদ্দিকী, তপন কর, জাহাঙ্গীর হোসেন, খন্দকার লিটন, খন্দকার টিটন, শেখ মাহি, শেখ টুটুল, শেখ বোরহান, পল¬ব, দীপঙ্কার, জনি, তুহিন, মোক্তার, সিরাজুল ইসলাম, মনিরুজ্জামানসহ ক্লাবের সব সদস্যরা।

#

কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনা
স্টাফ রিপোর্টার, কপিলমুনি ঃ কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এবার ১ শত ১১ জন এস. এস.সি পরীক্ষার্থীর বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুর ১২ টায় স্কুল ক্যাম্পাসে এই সংবর্ধনা দেয়া হয়। বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ আসাদুর রহমান পিয়ারুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন আলহাজ্ব এরফান আলী মোড়ল। বক্তব্য রাখেন সাবেক অধ্যক্ষ শহর আলী গাজী, অমিয় রঞ্জন দে, প্রধান শিক্ষিকা রহিমা আখতার শম্পা, প্রভাষক মিজানুর রহমান, কপিলমুনি প্রেসক্লাবের সাবেক সহঃ সাঃ সম্পাদক জি. এম. আসলাম হোসেন, সিটি প্রেসক্লাবের সাবেক সাঃ সম্পাদক পলাশ কর্মকার, দপ্তর সম্পাদক স ম নজরুল ইসলাম, এইচ. এম. আবুল কাশেম, মঈনুদ্দিন হাজরা, ছাত্র নেতা আজমল হোসেন বাবু, দশম শ্রেনীর শিক্ষার্থী তৃনা মন্ডল, বিদায়ী শিক্ষার্থী শতাব্দীকর, তাসিন আলভি প্রমূখ।