করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী


207 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মে ৫, ২০২০ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

দেশে করোনা সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে করোনাভাইরাস–সংক্রান্ত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‌‘যেহেতু এখন স্বাভাবিকভাবেই মার্কেট খোলা হয়েছে (খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে), গার্মেন্টস খোলা হয়েছে, দোকানপাটে আনাগোনা বাড়ছে। কাজেই সংক্রমণ যে বৃদ্ধি পাবে, এটি আমরা ধরেই নিতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘মৃত্যু হচ্ছে, তার জন্য দুঃখিত, তবে মৃত্যুর হার অন্য দেশের তুলনায় কম আছে। সংক্রমণ কিছু বেড়েছে। গত আট–দশ দিনে ৪০০-৫০০ করে দেখেছি। এখন ৭০০। আমাদের যতটুকু সম্ভব এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। জীবন-জীবিকা দুটোই পাশাপাশি যাবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চেষ্টা করবে যাতে রোগী না বাড়ে। আমাদের ম্যান্টেড হলো যাতে রোগীগুলো অধিক চিকিৎসা পায়।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশব্যাপী চলমান লকডাউন খোলার ব্যাপারে ১৭ সদস্যের বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত করোনা টেকনিক্যাল কমিটি সরকারকে পরামর্শ দেবে। একই সঙ্গে ঈদে শপিংমল, দোকানপাট বন্ধ রাখা হবে কিনা সে ব্যাপারেও কমিটি সরকারকে পরমার্শ দেবে। দেশের এই উচ্চ পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতামত অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে সরকার।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কমিটির অবজারভেশন ছিল যে, কোনো রোগী যাতে হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে না দেওয়া হয়। এ বিষয়ে আমরা আরো বেশি করে গুরুত্ব সহকারে দেখবো।

এখন করোনা টেস্ট বেশি হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ৩৩টি ল্যাবে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে, ওনাদের পরামর্শ হলো রিপোর্ট আরও বাড়াতে হবে, টেস্টের ফল দেওয়ার সময় কমাতে হবে। আমরা এ বিষয়ে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেব।

তিনি বলেন, ডাক্তারদের সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে, কী কারণে বেড়ে যাচ্ছে এ বিষয়টি আরো খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে পিপিই ব্যবহারের বিষয়ে বেশি নজর দিতে বলা হয়েছে। খোলা ও পরার সময়ে বেশি সংক্রমণ দেখা দিয়েছে।

সভায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ ১৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।