কলারোয়ার দক্ষিণ ভাদিয়ালীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে ইউপি সদস্যের উপর হামলা


357 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ার দক্ষিণ ভাদিয়ালীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে ইউপি সদস্যের উপর হামলা
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৬ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ষ্টাফ রিপোর্টার :
পূর্ব শত্রুতার জেরধরে এক ইউপি সদস্যের উপর দফায় দফায় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা। আহত ইউপি সদস্যের নাম আব্দুস সবুর মিয়া(৫১)। তিনি সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার দক্ষিণ ভাদিয়ালী গ্রামের মৃত ইমাদুল হকের ছেলে এবং সোনাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ইউপি সদস্য আব্দুস সবুর জানান, তার প্রথম অপরাধ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিস্পত্তির জন্য শালিস ডাকা এবং দ্বিতীয় অপরাধ নিজের নিরাপত্তার জন্য  আইনী সহায়াতা চেয়ে কলারোয়া থানায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা।

তিনি আরো জানান, কলারোয়া উপজেলার দক্ষিণ ভাদিয়ালী গ্রামের আফছার আলীর ছেলে আব্দুল মাজেদের সাথে, একই গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে আলফাজ আলীর বসত ভিটা ও দোকান ঘর নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধ নিস্পত্তির জন্য সোনাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে গত ১৩ই ফেব্রয়ারী দুপক্ষের সালিশ ডাকা হয়। তাতে আলফাজ আলী ক্ষিপ্ত হয়ে, তার বাহিনী নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ইউপি সদস্য আব্দুস সবুর মিয়াকে লাঞ্চিত করে এবং চেয়ার দিয়ে আঘাত করে এবং সালিশ পন্ড করে  আলফাজ বাহিনী ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করে।

ওই ঘটনার পর ইউপি সদস্য আব্দুস সবুর, আলফাজ বাহিনীর বিরুদ্ধে কলারোয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করে। ওই অভিযোগের জন্য কলারোয়া থানার এসআই পিন্টু তদন্ত করে ফিরে আসে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত করলে গত ১৮ই ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইউপি সদস্য আব্দুস সবুরকে ভাদিয়ালী গ্রামের রাজ্জাকের মোড় নামক স্থানে একাপেয়ে আলফাজের নেতৃত্বে একই গ্রামের মৃত আলী বাক্সের ছেলে আব্দুল ওহাব, মৃত তোফাজ্জেলের ছেলে সাহারুল ইসলাম, নাজমুলের ছেলে আলমুন, নিহার উদ্দীনের ছেলে বাবলুসহ ১০/১২ লোহার রড, বাঁশের লাঠি, জিআই পাইপসহ দেশীয় বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র নিয়ে ইউপি সদস্য আব্দুস সবুরের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। ওই হামলায় ইউপি সদস্যকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে গুরুত্বর জখম করে। এসময় আহত আব্দুস সবুরের আত্ম চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসলে সন্ত্রাসী আলফাজ বাহিনী পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা রক্তাত্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ওই রাতেই সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এব্যাপারে আহত ইউপি সদস্য পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।