কলারোয়ার যুগিখালী গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন । স্বেচ্ছাশ্রমে বালির বস্তা দিয়ে রাস্তা নির্মান


553 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ার যুগিখালী গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন । স্বেচ্ছাশ্রমে বালির বস্তা দিয়ে রাস্তা নির্মান
আগস্ট ৩, ২০১৫ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় প্রর্বল বর্ষণে ১২নং যুগিখালী ইউনিয়নের প্রানকেন্দ্র যুগিখালী গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। উপজেলার বামনখালী বাজার থেকে মানিক নগর হয়ে যুগিখালী গ্রাম ও বাজারে যাওয়ার একমাত্র পথের প্রায় ১ কিলোমিটার  পথ পানিতে ডুবে যাওয়ায় ওই গ্রামের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। বর্তমান ওই রাস্তার উপর ৩ থেকে সাড়ে ৩ ফুট পানি অবস্থান করছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা  বিছিন্ন হওয়ায় ওই গ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থা ও ব্যবসা বানিজ্য অচল হয়ে পড়েছে।  এমনকি ওই গ্রামের চারিপাশে জাহাজমারি বিল, মান্দার তলা বিল, বুড়ির মাঠ, ও সাবাজির বিলসহ বিভিন্ন  বিলে পানি আর পানি। জরুরী বিত্তিতে যদি পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করা হয় তাহলে ওই ইউনিয়নের ১৪টি গ্রাম পানিতে ভাসবে বলে এলাকাবাসি জানায়। সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,  যুগিখালী গ্রামের প্রায় শতাধিক লোকজন ওই ১ কিলোমিটার রাস্তা উপর স্বেচ্ছাশ্রমে বালির বস্তা দিয়ে ভেড়ি তৈরী করছে । যাতে ওই গ্রামের স্কুলগামি ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যাওয়া আসা বা এলাকার লোকজন কোন রকম আসা -যাওয়া করতে পারে সেজন্যেই স্বেচ্ছাশ্রমে এই উদ্যোগ নিয়েছে বলে তারা জানান। তবে স্বেচ্ছাশ্রমের পাশাপাশি যদি সরকারের তরফ থেকে ওই স্থানে বরাদ্দ দেওয়া হয় তাহলে হয়তো ওই গ্রামবাসিসহ এলাকাবাসি কোন রকম  ওই ভেড়ি দিয়ে চলাচল করতে পারতো।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম জানান, তার নেতৃত্বে প্রায় ১০০ লোক স্বেচ্ছাশ্রমে বালির বস্তা দিয়ে কাজ করছে। তবে সরকারের তরফ থেকে কিচু সহযোতিা পেলে হয়তো তার এলাকার লোকজনের কিছুটা কষ্ট লাঘব হতো।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনুপ কুমার জানান, বিষয়টি তিনি জেলা প্রশাসককে বলেছেন। তাড়াতাড়ি কিছু বরাদ্দ পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।