কলারোয়ার লাঙ্গলঝাড়া মাদ্রসার জমিদাতা আব্দুল খালেক আর নেই


403 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ার লাঙ্গলঝাড়া মাদ্রসার জমিদাতা আব্দুল খালেক আর নেই
জানুয়ারি ২২, ২০১৬ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়ার উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া গ্রামের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল কাদেরের পিতা লাঙ্গলঝাড়া আর্দশ দাখিল মাদ্রসার জমিদাতা আব্দুল খালেক (৯০) মারা গেছেন (ইন্না——-রাজিউন)।  শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নিজ বাড়িতে মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি ৩ ছেলে  ৩ মেয়ে নাতী নাতনি আতœীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। দুপুর আড়াইটার দিকে লাঙ্গলঝাড়া আর্দশ দাখিল মাদ্রসায় মরহুমের নামাজে জানাযা শেষে লাঙ্গলঝাড়া আর্দশ দাখিল মাদ্রসার পাশে দাফন করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লাঙ্গলঝাড়া কে এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও লাঙ্গলঝাড়া ইউপির চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মাস্টার নুরুল ইসলাম, আর্দশ দাখিল মাদ্রসার সুপার আবুল খায়ের, সাবেক সুপার আঃ গফুর, শিক্ষক  সিরাজুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, নজরুল ইসলাম, এটিএম নাজমুল হুদা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী, আ’লীগনেতা  আঃ হামিদ, কবিরুল ইসলাম, শামসুর রহমান খা, আবুল কালাম, আঃ বারিক, মনিরুল ইসলাম, আজগর বদ্দি, মোজাম মোল¬া প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন কলারোয়া আলিয়া মাদ্রসার শিক্ষক মাওলানা ওমর আলী।
##

কলারোয়ায় স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে মহিলা মেম্বর গুরুতর আহত
কলারোয়া(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের এক মহিলা ইউপি সদস্য গুরুতর আহত হয়েছে। শুক্রবার সকালে কলারোয়া পৌর সদরের শেখ আমানুল¬াহ কলেজের সামনে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কে স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে এ ঘটনা ঘটে।  আহত ইউপি সদস্য মর্জিনা খাতুন বর্তমানে খুলনা সার্জিক্যাল ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্বামী ওই ইউয়িয়নের পানিকাউড়িয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ইউনুস আলীর জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে তিনি তার স্ত্রী (১/২/৩ নং) সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মর্জিনা খাতুন (৪৫) কে  নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ী থেকে কলারোয়ায় আসচ্ছিল। পথিমধ্যে শেখ আমানুল¬াহ কলেজের সামনে পৌছালে একটি ভ্যানকে সাইড দিতে গিয়ে তার স্ত্রী মোটর সাইকেলের পেছন থেকে রাস্তার উপর পড়ে  মাথায় রক্ত হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তিনি তার স্ত্রীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে কলারোয়া ও পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থা অবনীত হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা সার্জিক্যাল ক্লিনিক ও হাসপাতালে ভর্তি করা করেন। বর্তমানে তার অবস্থা আশংকাজনক।