কলারোয়ার সরসকাটি সড়কে যানজট : জনগণের চরম ভোগান্তি


1016 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ার সরসকাটি সড়কে যানজট : জনগণের চরম ভোগান্তি
মার্চ ১০, ২০১৭ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া ::
সাতক্ষীরার কলারোয়া বাজারের সরসকাটি রোডে যানজট একটি নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। এমন কোন দিন নেই যে, ওই সড়কে যানজট সৃষ্টি হয় না। একবার যানজট শুরু হলে প্রায় এক থেকে দেড় ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও সেই যানজট নিরসন হয় না। আর এই যানজটের কারণে ওই সড়কে চলাচল পথচারীদের প্রত্যেকদিন চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়। কলারোয়া পৌর সদরের বেত্রবতী নদীর উপর নির্মিত ব্রীজের ওপারে ছয়টি ইউনিয়নের দুই লাখ লোকের মধ্যে প্রত্যেকদিন হাজার হাজার জনগণসহ ভ্যান, করিমন, নছিমন, ইজিবাইক বাস ট্রাক, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার চলাচাল করে ওই সড়ক দিয়ে । এমনকি ওই ছয়টি ইউনিয়ন ছাড়াও কপোতাক্ষ নদের উপর সরসকাটি ও খোরদো বাজারে সেতু নির্মান হওয়ায় যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলার শত শত মানুষ এ পথে চলাচাল করে থাকে। অথচ এ সড়কে প্রায় প্রত্যেকদিন যানজট লেগেই থাকে। দেখার যেন কেউ নেই। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর প্রায় সাড়ে বেলা ১২টা পর্যন্ত ওই রোডস্থ পশুহাটের মোড় থেকে ব্রীজের ওপার জব্বার ডাক্তােেরর মোড় পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হয়। আর যানজট সৃষ্টি হওয়ায় হাজার হাজার পথচারী চরম ভোগান্তি ও দূর্দশার মধ্যে পড়ে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলারোয়া বেত্রবতী ব্রীজের ওপারে তিন ইটভাটায় প্রায় ১০-১৫টি মাটি উঠানোর ৬ চাকা বিশিষ্ঠ পাউয়ার টিলারের ইঞ্জিন দিয়ে তৈরী বড় ট্রাক, ইটবহনকারী ট্রলি,বালু বোঝাই ট্রাক চলাচলের কারণে এ যানজটের সৃষ্ঠি হয়। এছাড়া পশুহাট মোড়ে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থাকার কারনেও এ যানজটের সৃস্টি হয়।
যানজটে পড়া উপজেলার ওফাপুর গ্রামের সাহাদাৎ হোসেন,বামনখালী গ্রামের, আক্তারুজ্জামান, সরসকাটি বাজারের রফিকুল ইসলাম, কলারোয়া পৌর সদরের কাউন্সিলর ইমাদুল ইসলাম বলেন, তারা শুক্রবার ওই সড়কে প্রায় দুই ঘন্টা যানজটে আটকা পড়ে। তারা দাবি করেন,প্রতি শুক্রবার ও সোমবার সাপ্তাহিক হাটবারে কলারোয়া পশুহাট মোড়ে একজন করে যদি ট্রাফিক পুলিশ ডিউটিতে রাখা যায় তাহলে হয়তো কিছু যানজট নিরসন হবে।
পশুহাট মোড়ের রেজাউল ইসলামসহ কয়েকজন দোকানদারের নিকট এ সড়কের যানজটের কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, এ সড়কে যানজটের প্রধান কারণ হলো ইট ভাটায় মাটি উঠানো বড় ট্রাক  এবং বালু বোঝাই ট্রাক চলাচল। এই দুই ধরণের যানবাহন যদি রাতে অথবা খুব ভোরে চালাচল করে তাহলে এ সড়কে যানজট থাকবে না। তাছাড়া যদি বেত্রবতী নদীর ওপর আরেকটি সেতু নির্মান করা য়ায় তাহলে এ সড়কে যানজট নিরসন হবে বলে তারা মনে করেন। কারণ বেত্রবতী নদীর ওপর যে সেতুটি রয়েছে সেটি’র চওড়া খুবই কম। তাছাড়া ওই সেতুর অবস্থাও ভাল না, যেকোন মুহুতে একটি দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও তারা মনে করেন।
ওই সড়কে দোকানদার ও পথচারীদের দাবি যাতে ইটভাটায় মাটি ওঠানো ট্রাক ও বালু বোঝাই ট্রাক সকাল ৭ থেকে  সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ওই সড়কে চলাচল বা প্রবেশ করতে না পারে তার ব্যবস্থা করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার রায়, পৌর মেয়র গাজি আক্তারুল ইসলাম ও থানার অফিসার ইনচার্জ এমদাদুল হকের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।

###

 

কলারোয়ায় নব-নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান আরাফাত হোসেনকে সংবর্ধনা
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া ::

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড কেঁড়াগাছি গ্রামের পক্ষ থেকে নব-নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান আরাফাত হোসেনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার মাগরিব নামাজের পর কেঁড়াগাছি হাইস্কুল ফুটবল মাঠে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বীরমুক্তিযোদ্ধা হারুন গাজির সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নব-নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান জেলা আ’লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান তুহিন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকুর রহমান মুন্না, ছাত্রলীগ নেতা জনি, মাস্টার শাহিনুর রহমান, মাস্টার আজাদুর রহমান, ইউপি সদস্য মহিদুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক ওহিদুজ্জামান প্রমুখ।
###

কলারোয়ায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে র‌্যালি
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
“দুর্যোগের প্রস্তুতি সারাক্ষণ আনবে টেকসই উন্নয়ন” এই শ্লোগানকে বিষয়কে সামনে রেখে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালন করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০ টায় এ উপলক্ষ্যে একটি র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালীটি কলারোয়া পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুলতানা জাহান, সববায় কর্মকর্তা নওশের আলী, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা তাহের মাহমুদ সোহাগ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল বাসার, কলারোয়া ল্যাবরেটরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক, কলারোয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসের ওএস আব্দুল খালেক,পিআইও অফিসের রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।