কলারোয়ায় ঈদের বাজার জমজমাট


478 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ায় ঈদের বাজার জমজমাট
জুলাই ৫, ২০১৫ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

 

 
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া :
ইতিমধ্যে পবিত্র রমজানের রহমতের ১০ দিন পার হয়েছে। মাগফিরাতের  সাত দিন শেষ। বাকি মাগফিাতের তিন দিন আর  নাজাতের ১০ দিনও দেখতে দেখতে চলে যাবে। ঈশান কোনে দেখা দেবে বাকা চাঁদ। উৎসবে মাতবে সবাই। আর সেই উৎসব/ঈদকে উপলক্ষ করে সাতক্ষীরার কলারোয়ায়  ঈদের বাজার জমে উঠেছে।  পৌর সদরের মাকের্টগুলোতে দিন দিন ভিড় বাড়ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শহরের প্রতিটি মার্কেট আলোকসজ্জা আর রঙবেরঙের ব্যানার দিয়ে সাজানো হয়েছে। পৌর সদরের সুপার মার্কেট, এম আর ফাউন্ডেশন মার্কেট, সাবুর মার্কেট, কাপুড়িয়া পট্রি, সৌদিয়া,বিলাসী,রংধনু, আল মদিনা, মায়ের আচলবস্ত্রালয়, জেনারেল গামের্ন্টস, সরদার গামেন্টস, আপন গামেন্টস,বেবী ফ্যাশন, জুতা ও কসমেটিক্সের দোকান গুলোতে ক্রেতাদের ভিড় জমে উঠেছে। ভিড় সামলিয়ে ক্রেতারা তাদের প্রিয় পোশাকটি কিনতে একদম সময় নিচ্ছে না। বড়দের পাশাপাশি ছোটরাও যেন পিছিয়ে নেই সেরা ঈদ পোশাকটি কিনতে। আর বাচ্চাদের কথা মাথায় রেখে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন,ডিজাইন,রং ওনকশায় বৈচিত্রময় পোশাক দিয়ে সাজানো হয়েছে বাচ্চাদের ঈদের বাজার। বড়দের চেয়ে ছোটদের পোশাকাকের কারু কাজ বেশী থাকায় দামও একটু বেশী। কিরণমালা, রাইকিশোরী, জলনুপুর আকসাবার মতো বড়দের পোশাকের বাহারি নাম তেমনি রয়েছে ছোচদের পোশাকের নাম। ঝিলিক,হাসিখুসি,ডিলিক্স, পুতুল,পাড়ি, পার্টি ফ্রক,দুই পাটের আনারকলি,চিকনি চামেলী নামের ভারি পোশাকেরও রয়েছে বাচ্চাদের ঈদ কালেকশনে। তবে গরম ও বর্ষায় ঈদ হওয়ায় অভিবাবকরা হালকা কাজ ও সুতি কাপড়ে দিকে বেশী নজর দিচ্ছেন। শিশুদের বাড়তি আরামের কথা মাথায় নিয়ে তারা বুঝে শুনে পোশাক কিনছেন। ছেলে শিশুদের ঈদ কালেকশনে পাঞ্জাবী না থাকলে যেন ঈদ পরিপূর্ণ হয়না। ঈদের সকালে নতুন পাঞ্জাবী পরে বাবার সাথে ঈদগাহে না গেলে যেন ছেলেদের মনে তৃপ্তি আসেনা। তাই প্রতিটি মাকের্টে ও মোপিং মহলে ছেলে শিশুদের জন্য রাখা হয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের বাহারি সব পাঞ্জাবী। পাঞ্জাবীর সাখে শিশুদের আরো রয়ছে কাটুন এর টি শার্ট। অনেক ক্রেতা বাচ্চাদের পোশাক কিনতে এসে হিমসিম খাচ্ছে। বড়দের তুলনায় ছোটদের পোশাকের একটু দামও বেশী। আর এজন্যে বাচ্চাদের পছন্দের পোশাক কিনতে গিয়ে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। কাপুড়িয়া পট্টির জেনারেল গার্মেন্টেসে আসা আফরোজা খাতুন দিপা নামে  এক গৃহবধূ জানান, বড়দের ফোশাকের তুলনায় ছোটদের পোশাকের দাম দ্বিগুনেরও বেশী। তার পরেও বাড়তি টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। কেননা ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে শিশুদের খুশি রাখতে হচ্ছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা,তারে মতে বাচ্চাদের পোশাকে বিভিন্ন ধরণের ডিজাইন থাকায় দামও বেশী। আপন গার্মেন্সের মালিক মীর রফিকুল ইসলাম জানান, এ বছর আগের ভাগেই ঈদের বাজার জমে উঠেছে। তার দোকানে এ বছর ভালই বিক্রি হচ্ছে। এ বছর  বাজারে কোন চাঁদাবাজ নেই, চিন্তামুক্ত ভাবে বেচাকেনা করতে পারছেন বলে তিনি জানান।