কলারোয়ায় ছলিমপুর কলেজের পাশে অবৈধ ইটভাটা নির্মানের অভিযোগ : পরিবেশ পির্যয়ের আশংকা


504 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ায় ছলিমপুর কলেজের পাশে অবৈধ ইটভাটা নির্মানের অভিযোগ : পরিবেশ পির্যয়ের আশংকা
জুলাই ২৮, ২০১৫ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান, কলারোয়া :
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ছলিমপুর হাজী নাছিরউদ্দীন কলেজের পাশে পরিবেশ আইন অমান্য করে ইটভাটার নির্মান কাজ শুরু করেছেন মিনাজ উদ্দীন নামের এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি জেলা প্রশাসক বরাবর কলেজ পরিচালনা পরিষদ,শিক্ষক,ছাত্র-ছাত্রী,গভীর নলকুপের মালিক এবং অত্র অঞ্চলের কৃষকগনের পক্ষে  ৯৯ জন স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
লিখিত অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, কলারোয়া উপজেলার ১১নং দেয়াড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড ছলিমপুর গ্রামে হাজী নাছির উদ্দীন কলেজটি প্রতিষ্ঠিত। কলেজের পার্শ্ববতী অঞ্চলে ৩টি গভীর নলকুপ থাকায় কয়েকশত বিঘা জমিতে ইরি-বোরোসহ বিভিন্ন খাদ্য শস্য উৎপাদন হয়। ফলে ওই এলাকার মানুষ খাদ্য খাটতিসহ ভালভাবে জীবন-যাপন করেন। এমতাবস্থায় ওই গ্রামের মৃত ছেকেল সরদারের ছেলে যশোর-সাতক্ষীরা অঞ্চলের মানব পাচার সিন্ডিকেটের গডফাদার মিনাজ উদ্দীন কলেজ থেকে ১০০ গজ দুরে ইটের ভাটা তৈরীর বিভিন্ন প্রকার উপকরণ এনে জমা করেছেন। এমনকি কাজও শুরু করেছেন । ওই স্থানে যদি ইট ভাটা তৈরী করা হয় তাহলে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ বিপর্যস্ত ও পরিবেশ দূষণ ও শত শত বিঘা ফসলি জমির উৎপাদন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বিধায় ওই স্থানে যাতে ওই মানব-পাচারকারী ইটের ভাটা তৈরী না করতে পারে তার জন্য অভিযোগকারীরা জেলা প্রশাসকসহ উদ্ধর্তন কর্মকর্তা সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে অভিযোগকারী মিনাজউদ্দীন জানান,তিনি পরিবেশ আইনসহ সকল নিয়ম-কানুন মেনেই ইটভাটা নির্মান কাজ শুরু করেছেন। এ দিকে মানব পাচারকারীর বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান,  এক সময় বৈধ কাগজ পত্রের মাধ্যমে তিনি বিদেশে লোক পাঠাতেন,তবে অবৈধভাবে বা নদীপথে কখনও বিদেশে লোক পাঠাননি।