কলারোয়ায় নির্দেশনা অমান্য করে কেনা বেঁচা চালিয়ে যাচ্ছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী


151 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ায় নির্দেশনা অমান্য করে কেনা বেঁচা চালিয়ে যাচ্ছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী
মে ১৫, ২০২০ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়া বাজারের চৌরাস্তা মোড়, কাপুড়িয়া পট্টি, জুতাপট্টি এলাকার কয়েকটি কাপড়, গার্মেন্টস, জুতা ও কসমেটিকস দোকানে শাটার বন্ধ করে ও একেবারে নিচে নামিয়ে দোকানের ভেতর ক্রেতা নিয়ে মালমাল কেনা বেঁচা চালিয়ে যাচ্ছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী। দৃশ্যটি দেখে মনে হলো করোনা যেনো ওইসকল ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ছুতে পারবে না। ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসা বন্ধ করা তাদের জন্য ক্ষতি বলোু সরকার ও জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা তারা মানতে নারাজ। দৃশ্যটি দেখা গেলো শুক্রবার বিকাল ৫ টার দিকে। আবার জীবন ও জীবিকার প্রশ্নে দ্বিধাগ্রস্থ শুধু ক্রেতা-বিক্রেতা নয় বরং সকলে। ফলে অনেকটা উপেক্ষিত হচ্ছে সরকারি নির্দেশনাও।
জানা গেছে, গত ১০ মে থেকে সরকারি নির্দেশনায় সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কাপড়সহ কয়েকটি বাদে অন্য দোকানপাট খোলা রাখার নির্দেশ থাকলেও অনেক ক্রেতা-বিক্রেতা সময় মানছেন না। যেনো সময় ভুলে ইচ্ছামতো কেনাবেচা চালিয়ে যাচ্ছেন। সরেজমিনে দেখা যায়- সকাল ৯ টার আগে-পরেই অনেকেই দোকানপাট খুলছেন। আবার ৪ টা পেরিয়ে সন্ধ্যা গড়ানোকালেও কিছু দোকানপাট আংশিক খোলা থাকা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। এদিকে, ১৫ মে শুক্রবার বিকাল ৫টার সময় দেখা যায়- চৌরাস্তা মোড়, কাপড় পট্টি, জুতা পট্টিতে শাটার বন্ধ করে দোকানের ভেতর ক্রেতা নিয়ে মালমাল কেনা-বেঁচা চালিয়ে যাচ্ছে অনেক ব্যবসায়ী। লক্ষ্য করে দেখা যায়- যাদের নিচতলা দোকান ও উপরতলায় বাসা তারাই যেনো বেশি এরকম ভাবে বেচাকেনা করছেন। আবার তাদের দেখে পাশের অন্য দোকানদারও নিয়মভেঙ্গে বেচাকেনা করছেন। অপরদিকে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনী টহল দিলে কিছু সময়ের জন্য বাজারের জনজটের পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হয়। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, সামনে ঈদ, ঈদের বেচাকেনা সারাবছরের টার্গেট থাকে। এখন ব্যবসা করতে না পারলে পথে বসতে হবে। যতদূর সম্ভব স্বাস্থ্যবিধি মেনে বেচাকেনা করছি, তবে মাঝেমধ্যে সময়ের একটু হেরফের হয়ে যাচ্ছে।
করোনার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জীবন ও জীবিকার প্রশ্নে দ্বিধাগ্রস্থ শুধু ক্রেতা-বিক্রেতা নয় বরং সকলে। জীবন টেকাতে আর জীবিকা চালাতে সীমিত বেচাকেনা কিংবা নিয়ন্ত্রিত চলাফেরার কোন বিকল্প নেই। করোনার প্রেক্ষিতে সুস্থ্য থাকতে হলে ঘরে থাকতে হবে, পেট চালাতে হয়তো বাইরেও আসতে হবে। তবে সবমিলিয়ে সর্বোচ্চ সচেতন থাকতেই হবে।- এমনটাই মনে করছেন সকলে।

#