কলারোয়ায় পাগলা কুকুরের উপদ্রব : আতংকে এলাকাবাসী


520 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ায় পাগলা কুকুরের উপদ্রব : আতংকে এলাকাবাসী
সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৮ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
কলারোয়ায় আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের উপদ্রব। এর ফলে ভয়ভীতির মধ্যে রয়েছে জনসাধারণ। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ওই সব বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব থাকলেও সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদাসীন রয়েছে বলে মনে করেন অনেকেই। উপজেলার পৌরসভা উদ্যোগে প্রতি বছর একটা সময়ে কুকুর নিধন করা হয়। কিন্তু দুই বছর পার হয়ে গেলে এখনও কুকুর নিধন করা হয়নি। ওই সব পাগলা কুকুরে দল ফুটপাথ, সড়কে ও বাজার কেন্দ্রিক এবং গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় বিচরণ করছে এলোপাতাড়াড়িভাবে সকল বয়সী মানুষকে আতঙ্কিত করে। তবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে বেওয়ারিশ কুকুরগুলো নিধন জরুরী বলে স্থানীয় এবং কুকুরের আক্রমণের শিকার হওয়া ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। উপজেলাসহ ১২টি ইউনিয়নেই তার ব্যপক চলাচল দেখা যায়। উপজেলার পৌরসদরের তুলশীডাঙ্গাসহ অন্যান্য ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, শত শত পাগলা কুকুর এদিক-ওদিক ঘুরছে। খাদ্য সন্ধানী ওই সব কুকুর পাগলা হয়ে একাধিক মানুষকে আহত করেছে কামড়য়েছে বলে জানা গেছে। সম্পতি পাগলা কুকুরে কামড়ে আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলা লোহকুড়া গ্রামের খানজাহান আলী, তুলশীডাংগা গ্রামের জিন্না আলী, পৌর সদরের গদখালী গ্রামের আব্দুল আজিজের মেয়ে তুলি। অধিকাংশ কুকুর পাগলা। শিশু থেকে বৃদ্ধ এমনকি বাইসাইকেল, মটরসাইকেল ও অন্যান্য ছোট খাটো যান চালানো অবস্থায় পথচারীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার কথাও জানা গেছে। এছাড়াও হাস মুরগি গরু ছাগলসহ অন্যান্য প্রাণীদের আহত করছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। উপজেলার দেয়াড়া গ্রামে বাসিন্দা জনৈক ইমরান হোসেন নামের একজন বলেন, সম্প্রতি ওই পাগলা কুকুরে কামড়ানোর কারণে তাকে বেশ ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। উপজেলার খোরদো বাজার মিষ্টি ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন বলেন, কুকুরের উপদ্রব অতিষ্ঠ হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। চলতি পথে কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাজারে চলাচল করতে আতঙ্কিত হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।