কলারোয়ায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটে অর্ধশতাধিক মিটার পুড়ে ছাই


214 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটে অর্ধশতাধিক মিটার পুড়ে ছাই
জুলাই ১, ২০২১ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পল্লী বিদ্যুত লাইনের শর্ট সার্কিট হয়ে প্রায় অর্ধশত গ্রাহকের বিদ্যুতের মিটার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পৌরসভাধীন মির্জাপুর পালপাড়া এলাকায় নজরুল ইসলামের চায়ের দোকান সংলগ্ন খুঁটিতে এ শর্ট সার্কিটে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্থ জনসেবা ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী পৌর কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, পালপাড়া মোড়ের নজরুল ইসলামের চায়ের দোকান সংলগ্ন বিদ্যুতের খুটিতে কয়েকদিন আগেও শর্ট সার্কিট হয়েছে। এবিষয়ে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে জানাতে মুটোফোনে কল দিলেও তিনি বা তারা রিসিভ করেননি।

এরপর বৃহষ্পতিবার (১ জুলাই) সকালে প্রথম শর্ট সার্কিট হলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কল দিয়ে প্রাথমিক ভাবে বিদ্যুত বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু মেরামত না করে ১০ মিনিট পরেই আবার বিদ্যুৎ সংযোগ দিলে আশপাশের ভবন ও দোকানঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ মিটার বিস্ফোরণ হয়ে যায়। এ সময় আশপাশের প্রায় অর্ধশত মিটার পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এছাড়া কয়েকজনের টিভি, ফ্রিজ, চার্জে থাকা মোবাইল ফোন ও ক্লিনিকের বিদ্যুৎ সংশিষ্ট চিকিৎসা সেবার যন্ত্রপাতির ক্ষতি হয়েছে। এমনকি মিটারের পাশে থাকা বিদ্যুতের বোর্ডও বাস্ট হয়ে পুড়ে যেতে দেখা গেছে। তিনি ক্লিনিক ও দোকানপাটের ক্ষতি পূরণের দাবি করেন।

ক্লিনিকের তৃতীয় তলা ভবনের মালিক কবি আজগর আলী বলেন, প্রতিনিয়ত এখানে শর্টসার্কিট হয়। পল্লী বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অভিযোগ দিলেও তারা তেমন গুরুত্ব দেন না। কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে ভবনে ওয়ারিং করিয়েছি। মিটারের পাশাপাশি টিভি, ফ্রিজম চার্জে থাকে মোবাইল ফোন পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। বিদ্যুত লাইন মেরামত না করাতে যে ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতি পূরণ পেতে তিনিও বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

মিম স্টোরের মুদি দোকান ব্যাবসায়ী জাহিদ হাসান বুলু জানান, সকালে কারেন্টের (বিদ্যুতের) খুটিতে আলো জ্বলে উঠলে সাথে সাথে স্থানীয় বিদ্যুত অফিসের হটলাইন নাম্বারে যোগাযোগ করলে তারা লাইন অফ করে দেয়। লাইন মেরামত না করে মিনিট দশেক পরেই পুনরাই বিদ্যুত সংযোগ দিলে এখানকার প্রতিটি দোকানের মিটারসহ বৈদ্যুতিক খুঁটির কাঠে আগুন ধরে যায়। সেসময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তিনি আরো বলেন, একদিকে করোনার ক্রান্তি অন্যদিকে লোন (ঋণ) নিয়ে দোকানের ফ্রিজ কেনা। এখনো টাকা পরিশোধ করতে পারিনি। অনেক ক্ষতি হয়ে গেলো।

এ বিষয়ে কলারোয়া পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজর (ডিজিএম) প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আমার ফোনে সংশিষ্ট বিষয়ে কোন কল আসেনি। তবে সকালে বিদ্যুতের তারে পাখি পড়াতে এ ঘটনা ঘটে। প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে যে কয়টি মিটার নষ্ট হয়েছে তা প্রতিস্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

#