কলারোয়ায় ভেঁড়িবাদের উপর থেকে ৩০টি সরকারী গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ


426 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ায় ভেঁড়িবাদের উপর থেকে ৩০টি সরকারী গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ
আগস্ট ১২, ২০১৫ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান, কলারোয়া :
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেঁড়িবাধের উপর থেকে ৩০টি সরকারী গাছ কেটে তা বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ১১নং দেয়াড়া কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের কপোতাক্ষ তীরবর্তী ভেঁড়িবাদে লাগানো এসব গাছ কাটা হয়। ওই গ্রামের মৃত শেখ তৈয়ব আলীর ছেলে শেখ হারুন-অর-রশীদ,মৃত শেখ জোহর আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম খোকা ও মৃত বাবুরালী খার ছেলে সোহরাব হোসেন এ  গাছ গুলো কাটেছেন বলে জানাগেছে।
শেখ  হারুন-অর- রশীদসহ তিন জনই গাছ কাটার কথা স্বীকার করে বলেন,  গাছ গুলো বন বিভাগের। তিনি ওই এলাকার  বন বিভাগের স্থানীয় কমিটির সভাপতি।  সম্প্রতি ব্যাপক বর্ষার কারণে ওই ভেঁড়ি বাধের গাছগুলো পড়ে যাওয়ার কারণে গাছগুলো কাটা হয়েছে বলে তারা জানান ।
উপজেলা বন বিভাগ কর্মকতার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি না থাকায় ওই বিভাগের তত্তাবধায়নকারী মোহাম্মদ আলী জানান,  ভেঁড়ি থেকে  গাছ কাটা হচ্ছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে বন বিভাগকে না জানিয়ে তারা গাছ কাটতে পারেনা। গাছ কাটতে হলে অবশ্যই তাদের বনবিভাগকে জানাতে। কারণ ওই গাছ গুলো কাটতে হলে বনবিভাগ, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান,জমির মালিক,বন বিভাগের স্থানীয় কমিটি সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে সর্ব সম্মতিক্রমে রেজুলেশন করার পরে গাছ কাটতে হবে। তার কোন কিছু না করে গাছ কেটে বিক্রি করার একতিয়ার তাদের নেই বলে  তিনি জানান। তবে খবরটি শোনার সাথে সাথে ওই এলাকার বন বিভাগের সভাপতি হারুনকে গাছ কাটা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের ইউপি সদস্য বাবুরালী মধু ওই ভেঁড়ি থেকে গাছ কাটা হয়েছে বলে সত্যতা স্বিকার করেন। ভেঁড়িবাধ থেকে গাছ গুলো কাটার কারনে যে কোন সময় ভেঁড়ি ভেঙে যেতে পারে বলে আশংকা দেখা দিয়েছে।যে গাছ কাটা হয়েছে তা  সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলেও তিনি জানান।