কলারোয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কক্ষ থেকে মনোনয়ন পত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ


356 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কক্ষ থেকে মনোনয়ন পত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৬ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কলারোয়া(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমাদানের শেষ দিনেও   উপজেলার ৫টি  ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা তাদের সংগ্রহকৃত মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। তফসিল ঘোষনার পর থেকে শেষ দিন গতকাল সোমবার নির্ধারিত সময় পর্যন্ত কয়েক দফায় চেষ্টার পরেও দুর্বৃত্তদের বাধার মুখে তারা জমা দিতে ব্যর্থ হন। এমনকি বিএনপি’র এক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র রিটানিং কর্মকর্তার কক্ষ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।  জমা দিতে ব্যর্থ হওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন-উপজেলার ১২ নং যুগিখালী ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি,১১ নং দেয়াড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন,৮নং কেরালকতা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, ৬নং সোনাবাড়িয়া ইউয়িনের বারবার নির্বাচিত বর্তমান চেয়ারম্যান স্থানীয় ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি বিএনপি নেতা এস এম শহিদুল ইসলাম ও ৩ নং কয়লা ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মোল্যা। এ ব্যাপারে ১১ নং দেয়াড়া ইউনিয়নের বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ইব্রাহিম হোসেন জানান, তার প্রস্তাবকারী আব্দুর রহিম গতকাল সোমবার মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে তার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাদরুল আনামের অফিসে যান । এ সময় ওই রিটার্নিং কর্মকর্তা সুকৌশলে তার প্রস্তাবকারীকে বসিয়ে রেখে প্রতিপক্ষ আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থীকে খবর দেয়। খবর পেয়ে কতিপয় দুবৃর্ত্তরা রিটার্নিং কর্মকর্তার সামনে থেকে জোর জবদস্তি করে তার মনোনয়ন পত্রটি ছিনিয়ে নিয়ে বীরদর্পে চলে যায়। এ ব্যাপারে ইব্রাহিম হোসেন তাৎক্ষনিকভাবে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করলে কমিশন থেকে ওই ছিনিয়ে নেওয়া মনোনয়নপত্র উদ্ধার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় বরাবর একটি ই-মেইলবার্তা পাঠান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওই বার্তা পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,বার্তাটি নির্বাচন কমিশন থেকে আসছে কিনা জানেন না। তবে ই-মেইলে পাওয়া বার্তাটি তাৎক্ষনিকভাবে প্রিন্ট করে রিটার্নিং কর্মকর্তা  বরাবর প্রেরন করেন। তিনি আরো  জানান, মনোনয়নপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে প্রার্থীর পক্ষ থেকে তার নিকট কোন অভিযোগ করা হয়নি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা সাদরুল আনাম জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাঠানো পত্রটি তিনি গ্রহন করে তাৎক্ষনিকভাবে অফিসার ইনচার্জ কলারোয়াকে তদন্তপূর্বক প্রয়োজন ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য লিখিত পত্র দেন।
কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম রিটার্নিং কর্মকর্তার পাঠানো পত্রটি তিনি পেয়েছেন বলে সত্যতা স্বীকার করেন।