কলারোয়ায় শিক্ষককে জীবন নাশের হুমকী : প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন


514 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ায় শিক্ষককে জীবন নাশের হুমকী : প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
এপ্রিল ১৭, ২০১৭ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান, কলারোয়া ::
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চন্দনপুর বহুমুখি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ ও জীবন নাশের হুমকীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে কলারোয়া প্রেসক্লাবে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনছার আলী এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, চন্দনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে স্কুল পরিচালনা পরিষদের নির্দেশক্রমে নিয়ম করা হয় কোন ছাত্র-ছাত্রী জাতীয় সঙ্গীতে উপস্থিত না থাকলে তাদের ক্লাসে প্রবেশ করার আগে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে ক্লাসে প্রবেশ করতে হবে। সে মোতাবেক আমি প্রধান শিক্ষক প্রত্যেকদিন জাতীয় সঙ্গীত শেষ হওয়ার সাথে সাথে স্কুলের প্রধান গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। এরপর কোন ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে আসলে গেটের তালা খুলে আমার অনুমতি নিয়ে ক্লাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। তবে গেটের তালা খুলে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রবীন স্টাফ দপ্তরী বজলুর রহমানকে। গত ১৫ এপ্রিল শনিবার জাতীয় সঙ্গীত শেষ হওয়ার ৪৫ মিনিট পরে ১০ম শ্রেণির ছাত্র আশিকুজ্জামান ও সাজমিন গেটে ধাক্কা দিতে থাকে স্কুলে আসার জন্য। দপ্তরী বজলুর রহমান গেটের তালা খুলতে গেলে ওই ছাত্র আশিক দপ্তরীকে বলে তোর বাবার স্কুলের গেট তালা দিয়েছিস বলে গালি দিতে থাকে। এ সময় দপ্তরী তালা খুলে দিয়ে ছাত্র আশিকের কথার প্রতিবাদ করলে দপ্তলীকে ধাক্কা দেয় সে। পরে দপ্তরী তাকে ডেকে নিয়ে শিক্ষক মিলনায়তনে আসে এবং তাকে গালি দেওয়ার বিষয়টি আমাকেসহ সকল শিক্ষককে জানান। এ সময় আমি ছাত্র আশিককে এ ধরণের আচরণ সম্পর্কে জানতে চাইলে আমার উপরও চড়া হয় এবং গালি দেয়। এরপর আমি তাকে ধরে পেছনে চারটি বাড়ি দিয়ে ক্লাসে পাঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে স্কুল চলাকালীন সময়ে কাউকে না বলে পাচিল টপকিয়ে বাড়ি চলে যায় এবং বাড়ি থেকে তার খালা সাজেদাকে ডেকে নিয়ে আমার অফিসরুমে প্রবেশ করে আমাকে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ শুরু করে এবং তাদের কাছে থাকা ছোরা দিয়ে আমাকে জীবন নাশের জন্য আঘাত করার চেষ্টা করে। এ সময় আমার চিৎকারে সকল শিক্ষক কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা ছুটে আসলে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে এবং সাংবাদিকদের নিকট ভুল তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। আমি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সেই সাথে প্রকৃত ঘটনা তদন্তপূর্বক উৎঘটনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্কুলের সভাপতি আলিমুর রহমান, সিনিয়র শিক্ষক আব্দুর রহমান, অভিভাবক সদস্য আনারুল ইসলাম, শহর আলী ও স্কুলের দপ্তরী বজলুর রহমান।