কলারোয়ায় স’মিলে অগ্নিকান্ড, ক্ষয়ক্ষতি


123 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ায় স’মিলে অগ্নিকান্ড, ক্ষয়ক্ষতি
মে ১২, ২০২০ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ॥
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় কাঠের স’মিলে অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার একটু আগে কলারোয়া ফুটবল মাঠ সংলগ্ন আব্দুল ওহাবের মালিকানাধীন স’মিলে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকা-ের সময় ঘটনাস্থলে কেউ ছিলেন না বলে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটে নি। ঘন্টাখানেকের মধ্যে স্থানীয় মানুষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- ‘স’মিলে আগুন লাগার সাথে সাথে পুরো স’মিল এলাকা আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় স্থানীয় শত শত মানুষ পানি ও অন্যান্য ভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকা-ের খবর শুনতে পেয়ে ঘটনাস্থলে সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি ইউনিউট ছুটে আসেন। তবে তাদের আসার আগেই আগুন সিংহভাগই নিভিয়ে ফেলেন স্থানীয়রা। এরআগে আগুন লাগার খবর পেয়েই বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের জেলা কর্মকর্তা ডিএডি মাহবুব হোসেন জানান- ‘ধারণা করা হচ্ছে সর্টসার্কিটের কারণে অগ্নিকা-ের সূত্রপাত হতে পারে।’

স’মিলের মালিক আব্দুল ওহাবের বাড়ি উপজেলা সদর থেকে ১০/১৫কি.মি দূরে মানিকনগর গ্রামে। খবর পেয়ে তিঁনি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কীভাবে অগ্নিকা-ের সূত্রপাত হয়েছে তা তিঁনি বলতে পারছেন না। তবে আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৬ লক্ষাধিক টাকা বলে তিঁনি জানান।তিঁনি বলেন- ‘স’মিলের মেশিন-যন্ত্র, কাঠ পুড়ে গেছে। আমার এই মিলে প্রায় দুই শত শ্রমিকের কর্মসংস্থান।

তাদের নিয়েই দুশ্চিন্তায় পড়েছি।’ প্রত্যক্ষদর্শী কলারোয়া বাজারের ব্যবসায়ী শেখ সেলিম হোসেন, শিশির বিশ্বাসসহ অন্যরা জানান, হঠাৎ করে স’মিলে আগুন লাগে। তখন একটা বড় আওয়াজ শোনা যায়। বহু দূর থেকেই আকাশের দিকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পাওয়া যায়। অনেকে ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সহযোগিতা করেন।’ এসময় আশপাশের মানুষের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। আসবাবপত্র, তুলা, কম্পিউটারসহ ঘটনাস্থলের আশপাশের বহু দোকান থেকে তাৎক্ষনিক পণ্য সামগ্রী বাইরে এনে সামনের মাঠে রাখতে দেখা যায়।

শত শত মানুষ আগুন নিয়ন্ত্রণ ও আশপাশের দোকানের মালামাল সরিয়ে নিতে সাহায্য করেন।এদিকে, কলারোয়ায় মাস ছয়েক আগে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হলেও আজো পর্যন্ত সেটা চালু হয়নি। এরই মধ্যে আজকের এই ঘটনা ছাড়াও মাসখানিক আগে চান্দুড়িয়ায় অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছিলো। অতিসত্বর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনটি চালু করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

#

কলারোয়া বাজারে সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ॥
বিধিনিষেধ শিথিলে সাতক্ষীরার কলারোয়া বাজারে সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না। অনেকটা অগ্রাহ্য জেলা প্রশাসনের ৮ শর্ত। মহিলাসহ নানান বয়সী মানুষের জনসমাগমে শঙ্কিত অনেকে। জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের শর্ত সাপেক্ষে কলারোয়ায় মার্কেট ও দোকানপাট খোলা হয়েছে ঈদকে সামনে রেখে। দোকান গুলো খোলার জন্য কিছু শর্ত মানতে বলা হয়েছে কিন্তু সরকারি নির্দেশনাকে উপেক্ষা করছেন অনেক ব্যবসায়ী ও ক্রেতা। শর্তের মধ্যে বলা হয়েছে দোকানের সামনে হাত ধোয়া ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে, সামাজিক দূরত্ব মেনে বেচাকেনা করতে হবে, মাস্ক পরিধান করতে হবে ইত্যাদি। তবে সেই সব শর্তের তোয়াক্কা না করে হরহামেশায় চলছে কেনাবেচা। সোমবার সকালে কলারোয়া বাজারে এমন চিত্র উঠে এসেছে। দেখা গেছে, কোন প্রকার সামাজিক দূরত্ব তো মানছে না, তার উপরে অধিকাংশ দোকানে নেই হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যবস্থাও। আবার কারও কারও মুখে মাস্ক নেই। সব মিলিয়ে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কতা উপেক্ষা করা হচ্ছে। সব থেকে বেশি জনসমাগম লক্ষ করা গেছে গার্মেন্টস, কাপড়, প্রসাধনী, জুতার দোকান গুলোতে। বহু মহিলাদের উপস্থিতি ছিলো লক্ষণীয়। কোন প্রকার সামাজিক দূরত্ব নেই বললেই চলে। মাস্কের কথা জানতে চাইলে কয়েকজন জানান, ‘ব্যাগে/পকেটে আছে।’ এদিকে, বিকেলে কলারোয়া সরকারি কলেজ মাঠে স্থানান্তর করা কাচা তরিতরকারি দোকানগুলো ফের উঠিয়ে নিয়ে বাজারের আগের মূল স্থানে চলে যেতে দেখা গেছে। অপরদিকে, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আক্তার হোসেনের নেতৃত্বে কলারোয়া বাজারে সার্বক্ষণিক সেনাবাহিনী সদস্যদের টহল লক্ষ করা গেছে। কিন্তু তাদের সর্বপোরি প্রচেষ্টাও যেন হার মানছে। কোন ভাবেই মানুষকে সচেতন করা যাচ্ছে না। এমন অবস্থা চলতে থাকলে করোনা ভাইরাসকে কোন ভাবেই মোকাবেলা করা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করার জন্য জনসচেতনতার পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনকে আরো সক্রিয় হওয়ার আহবান জানিয়েছেন তারা।

#

কলারোয়ায় মাছের পোনা ও খাদ্য বিতরণ

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ॥
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মৎস্যচাষীদের মাঝে মাছের পোনা ও মাছের খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর চলতি ২০২০ অর্থ বছরে এনএটিপি-২ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা ১২টি ইউনিয়নের ২৪টি সিআইজি সমিতির ২৪ জন নির্বাচিত মৎস্য চাষীদের মধ্যে ২৪টি প্রদর্শনী পুকুরে কার্প জাতীয় মাছের বড় পোনা এবং ভাসমান খাদ্য বিতরণ করে। জনপ্রতি মাছচাষীদের মাঝে ৪০কেজি করে কার্পজাতীয় বড় পোনা বিতরণ করা হয়। সোমবার প্রদর্শনী পুকুরে মাছের পোনা ও ভাসমান খাদ্য বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরএম সেলিম শাহনেওয়াজ, মৎস্য কর্মকতা রবীন্দ্রনাথ নাথ মন্ডলসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের মৎস্য চাষীরা। এসময় মৎস্য কর্মকর্তা জানান- ‘এ প্রকল্পের মাধ্যমে সিআইজি সদস্যরা আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে মাছ চাষ করছেন। এতে তাদের আর্থ সামাজিক
অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে এ অঞ্চলের প্রানিজ আমিষের চাহিদা পূরণ সহজ হবে।’