কলারোয়ায় ৫০০ বিঘার অধিক পাকা ধান নষ্ট হওয়ার উপক্রম


356 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ায় ৫০০ বিঘার অধিক পাকা ধান নষ্ট হওয়ার উপক্রম
মে ২, ২০২০ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গাজনা সোনাতলা বিলের পানি নিস্কাশনের পথ বন্ধ

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ১নং জয়নগর ইউনিয়নের গাজনা সোনাতলা বিলের পানি নিস্কাশনের পথ বন্ধ করায় ১২০ বিঘা জমির পাকা ধান ও ৪০০ বিঘা জমির গো খাদ্য নষ্ট হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে ওই বিলের পাশ্ববর্তী গাজনা, বসন্তপুর ও মানিকনগর গ্রামের শতাধিক বাসিন্দার পক্ষে গাজনা গ্রামের লোকমান নামে এক কৃষক উপজেলা নিবার্হী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, গত ১ মে জুম্মার নামাজের পর ভারি বৃষ্টি হওয়ায় ওই বিলের তলায় প্রায় ৭০ বিঘা জমির পাকা ধান সম্পূর্ণ তলিয়ে যায়। এছাড়া বিলের পাশ্ববর্তী এলাকা অর্থাৎ উপর থেকে পানি এসে আরো ৫০ বিঘা জমির পাকা ধান তলিয়ে যাবার উপক্রম দেখা দিয়েছে। এমনকি এতে আরো ৪০০ বিঘা জমির গো খাদ্য নষ্ট হওয়ার হবে বলে ওই এলাকার কৃষকদের ধারণা। কারণ গত আমন মৌসুমেও এভাবে প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান নষ্ট হয়ে যায়।
অভিযোগে আরো বলা হয়, পূর্ব পুরুষ থেকে ওই বিলের পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি পথ ছিল। কিন্তু বর্তমানে কিছু ব্যক্তি সেই পানি নিস্কাশনের সেই পথ বন্ধ করে দিয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেছে। তাই আগের মত এক্ষনে ওই বিলের পানি নিস্কাশনের পথ সৃষ্টির দাবিও জানিয়েছেন কৃষকরা। আর পানি নিস্কাশের সুনিদিষ্ট পথ থাকলে সম্প্রতি কপোতাক্ষ নদ খননের কারণে কপোতাক্ষ নদ দিয়ে পানি চলে যেতে পারবে। এতে এক বিঘা জমির ফসল নষ্ট হবে না বলে উল্লেখ করেছেন ওই অভিযোগে। তাই এক্ষনে ওই বিলের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে চলতি বছরসহ প্রতি বছর এভাবে ফসল ক্ষতি হতে থাকবে। ফলে কৃষকদের ভোগান্তির শেষ থাকবে না।

তাই বিষয়টি ওই এলাকার কৃষকরা প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আর এম সেলিম শাহনেওয়াজ জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।