কলারোয়া গার্লস পাইলট স্কুলে শিক্ষকের দ্বারা নির্যাতনের শিকার এক স্কুল ছাত্রী


383 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া গার্লস পাইলট স্কুলে শিক্ষকের দ্বারা নির্যাতনের শিকার এক স্কুল ছাত্রী
মে ৪, ২০১৬ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

নাজমুল হক :
কলারোয়ায় শিক্ষকের বেধড়ক মারপিটে এক স্কুল ছাত্রী সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছে। অচেতন অবস্থায় ওই স্কুল ছাত্রীকে প্রথমে কলারোয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত নিশাত তাসনিম মিম কলারোয়ার মুরালীকাটি-কুমারনল গ্রামের জিয়াউর রহমানের মেয়ে ও কলারোয়া গার্লস পাইলট স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। স্কুলে নির্যাতনে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লেও কোন শিক্ষক তাকে হাসপাতালে নেয়নি।

স্কুল ছাত্রী নিশাত তাসনিম মীমের মা চম্পা পারভীন জানান, তার মেয়ে কলারোয়া প্রি ক্যাডেট স্কুল থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় পাশ করে। তাকে কলারোয়া গার্লস পাইলট স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। বুধবার সকাল আনুমানিক ৯টায় ইংরেজি ক্লাসে তার কাছের বান্ধবীর কলমে দাগ পড়ছিলো না। এ সময় মীম তার বান্ধবীর কলম দিয়ে দাগ পড়ানোর চেষ্টা করলে ক্লাসে পাঠদানরত শিক্ষক মাহফুজুর রহমান লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিঠ করে। এ সময় মীম ক্লাসেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। ঐ স্কুলের এক শিক্ষক মীমের পিতা জিয়াউর রহমানকে ফোন কিরলে পরিবারের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ভর্তি করে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মীমকে চিকিৎসা দিয়ে রিলিজ দিয়ে দেয়। তাকে বাড়ি নেওয়ার পরে বার বার সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েল দ্রুত পরিবারের লোকজন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

বুধবার রাতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় মীম অচতেন অবস্থায় পড়ে আছে। তাকে স্যালাইন দিয়ে রাখা হয়েছে।

স্কুল ছাত্রী নিশাত তাসনিম মীমের মা চম্পা পারভীন ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো বলেন, মীম অসুস্থ্য হলেও কোন শিক্ষক তাকে হাসপাতালে নেয়নি। সে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় থাকলেও তাকে কোন চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। আমরা বাড়ি থেকে স্কুলে গিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। তিনি আরো জানান, কোন শিক্ষক হাসপাতালেও যান নি। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষককের সাথে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।