কলারোয়া ছাত্রলীগের সভাপতি মাদকসেবী ইমরানের কবল থেকে রক্ষা পেতে ছাত্রলীগের সংবাদ সম্মেলন


2192 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া ছাত্রলীগের সভাপতি মাদকসেবী ইমরানের কবল থেকে রক্ষা পেতে ছাত্রলীগের সংবাদ সম্মেলন
মে ২৭, ২০১৮ কলারোয়া ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি চিহ্নিত মাদক সেবী বিবাহিত শেখ ইমরান হোসেন সংগঠনের গঠনতন্ত্রের সকল নিয়ম অমান্য করে ফের সভাপতি থাকার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন । এর জের ধরে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নামে বিভিন্ন মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন তিনি।
রোববার বিকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন এস এম আবু সাঈদ সহসভাপতি কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগ, সাকিল খান জজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মেহেদী হাসান নাইচ, যুগ্ম সাধারণ ও শেখ মারুফ আহমেদ জনি সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তারা বলেন কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় নতুন কমিটির দাবি চলে আসছিলো দীর্ঘদিন ধরে। খুব সত্ত্বরই কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি দেওয়া হবে। এরই মধ্যে আবু সাঈদ ও জনি সভাপতি প্রার্থী এবং নাইচ ও জজ সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসাবে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সমর্থন কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার জঙ্গি ও মাদক মুক্ত সমাজ বিনির্মানের লক্ষ্যে বিগত ২০১৪ সালে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরানের নেতৃত্বে আমরা মাদক বিরোধী একটি মঞ্চ নাটক পরিবেশন করি। নাটকটি পরিবেশনের পূর্বে আমাদের বেশ কয়েকদিন রিহেয়ার্সাল দিতে হয়েছিলো। সে সময় এর ভিডিও ধারন করেছিলো ইমরান। আমরা ইমরানের কুট কৌশল বুঝতে না পেরে তার কথামত উপজেলার নিরিবিলি এলাকায় গিয়ে ওই রিহেয়ারর্সাল করেছিলাম। সে সময় তার কাছে জিজ্ঞাস করেছিলাম নিরিবিলি যেতে হবে কেন। তিনি জবাবে বলেন বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলতে এখানে এসেছি। ওই সময় কুট কৌশলী ইমরান রিহেয়ার্সালের এর ভিডিও গুলো সংরক্ষণ করে রাখেন। পরবর্তীতে নিজের সভাপতি পদ টিকিয়ে রাখতে ওই ভিডিও থেকে কাটছাট করে আমাদের কে মাদকসেবী বানিয়ে ফায়দা লুটার চেষ্টা করছেন। অথচ তিনি নিজেই একজন মাদক সেবী এবং বিবাহিত। আমরা যদি মাদকসেবী হতাম তাহলে বিগত চার বছর তার কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছি কিভাবে। সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন গত ২৬ মে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের বর্ধিতসভায় অতিথি হিসাবে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। সভাটি পরিচালনা করেন আবু সাঈদ। আবু সাঈদ বক্তব্য দেওয়ার জন্য জনির নাম ঘোষণা করলে ইমরান বাধা দিয়ে বলেন সাবেক কোন নেতা বক্তব্য দিতে পারবে না। তখন জেলা নেতৃবৃন্দের অনুমতিক্রমে জনি বক্তব্য দেন। জনি তার বক্তব্যে বলেন, কলারোয়া ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। সংগঠনকে গতিশীল করার জন্য নতুন কমিটি দিতে হবে। একথা বলার পর ইমরান আমাদের উপর চড়াও হলে জেলা সভাপতি ও সম্পাদক অপমানিত হয়ে চলে যান। এরপর ইমরান, তার সহযোগী উজ্জল, পলাশ, ইমতিয়াজ, সান, সাগরসহ কয়েকজন আমাদেরকে মারপিট করতে আসলে সাধারণ নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ইমরান ও তার সহকর্মীদের ধাওয়া করেন। সেখানে আমরা কেউ কাউকে মারপিট করিনি। সাধারণ নেতাকর্মীদের সাথে তাদের টানাহেচড়ার সময় ইমরান ও উজ্জলের মাথা কেটে যায়। এঘটনাকে পুঁিজ করে তারা আমাদের নামে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। এছাড়া আমাদের কে মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী বলে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। উক্ত মাদকসেবী ও বিবাহিত ছাত্রলীগ নেতা ইমরানের হাত থেকে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগকে উদ্ধারের জন্য জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ উর্ধতন নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
##