কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন


441 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন
ডিসেম্বর ৩০, ২০১৫ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া :
সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচনে অবাধ,সুষ্ট,নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। তীব্র শীত উপেক্ষা করে সকালেই ভোটাররা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোটারা তাদের ভোটাধিকার প্রদান করেন। তবে কেন্দ্রগুলোর সামনে শোভা পায়নি প্রতীক সম্বলিত পোষ্টার। কেন্দ্রের বাইরে ভোটার স্লিপ নিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন বিভিন্ন প্রার্থীর কর্মী সমর্থকেরা। প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। কলারোয়া পৌর সদরের ৯টি কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসাররা জানান, প্রত্যেক কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রার্থীদের এজেন্টরা সুষ্ঠভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেন।

শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহনের জন্য কেন্দ্র ও কেন্দ্রের বাইরে পুলিশ,র‌্যাব,বিজিবি,আনসারসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিণীর সদস্যরা সর্তক অবস্থানে ছিলেন। সকাল সাড়ে ৮ টা পর্যন্ত প্রতি কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা যা ছিল তাতে প্রতি দুই মিনিটে ১জন করে ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রদান করেন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটারদের আরো উপস্থিতি বাড়তে থাকে। দুপুর ২ টার আগে প্রতি কেন্দ্রে শতাকরা ৫০ থেকে ৬০ ভাগ ভোটার তাদের ভোটারধিকার প্রয়োগ করেন।

পৌর নির্বাচনের রির্টানিং কর্মকর্তা আহমেদ আলী জানান, কলারোয়া পৌরসভার ৯টি  ওয়ার্ডের ৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহনের জন্য ৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার,৬৬টি জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ১২৬ জন পোলিং অফিসার দায়িত্বশীলভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান,শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি এক প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ২০ জন নিরাপত্তাকর্মী দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। এর মধ্যে (প্রত্যেক কেন্দ্রে ) একজন এসআইয়ের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৮ জন পুলিশ ও সাধারন কেন্দ্রে ৭ জন পুলিশ ও ১২ জন আনসার সদস্য দায়িত্বে ছিলেন। এর বাইরে ৪জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৪টি ভ্রাম্যমান টিম কাজ করেছেন।
এ ছাড়া একজন সহকারী পুলিশ সুপার সার্বক্ষনিক তদারকির দায়িত্বে ছিলেন।
মেয়রপদে আ’লীগ,বিএনপি,জাতীয়পাটি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৫ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেছেন।