কলারোয়া প্রেসক্লাবে লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের আ.লীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন


382 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া প্রেসক্লাবে লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের আ.লীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৬ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪নং লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং ওই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যাপক এম এ কালাম সংবাদ সম্মেলন করেচেন। বৃহস্পতিবার বিকালে কলারোয়া প্রেসক্লাবে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য বলেন, ১৯৮৫ সালে তিনি ছাত্রলীগের যোগদান করে ১৯৮৭ সালে ছাত্রলীগের কলারোয়া থানার শাখার সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে যুবলীগ এবং বর্তমানে লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতিসহ দীর্ঘ ৩০ বছর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে সৈনিক হিাসাবে এবং  জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আন্দোলন করে আসছেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন সময়ে দলের নেতৃত্বে থাকাকালীন জেল জলুমসহ নানা রকম নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, আগামী ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাই লক্ষ্যে বিভিন্ন ব্যক্তি ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছেন। এরই সূত্র ধরে তার জানামতে লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের পিস কমিটির সেক্রেটারী আব্দুল জব্বার শেখের ছেলে নুরুল ইসলাম আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন জায়গায় দেনদরবার করছেন। এমনকি লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীগের ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতাকর্মদের মতামত তার অনুকুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি প্রদান করে আসছেন। এক পর্যায়ে গত ৯ ফেব্রুয়ারী তিনি একদল উৎশৃঙ্খল ব্যক্তিদের নিয়ে রাত ৮ টার দিকে ৯নং রুদ্রপুর ওযার্ড শাখায় সম্মানিত সভাপতি বাবু নিতাই ও সাধারন সম্পাদক ইউপি সদস্য আবু তাহেরের বাড়িতে গিয়ে তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তার পক্ষে লিখিত সমর্থন প্রদানের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। কারণ নুরুল ইসলাম গত ২০১১ সালে ইউপি নির্বাচনে দলীয় সমর্থনে প্রার্থী হতে না পারায় বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রীর ছবি ভাংচুর করে তৎকালীন বিএনপি সভাপতি জুলফিকার আলীর সমর্থনে নির্বাচনে সহযোগীতা করেন। গত ২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধী কাদের ম্লো¬ার ফাঁসির কার্যকারে পূর্ব রাত্রে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কে.এল আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জামাত শিবিরের সাথে বৈঠক করেন।  বিভিন্ন নেত্রীবৃন্দের বাড়িতে যেয়ে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদানের ঘঠনাটি অগণতান্ত্রিক ও অনিধিকার চর্চা বলে তিনি মনে করেন। এমনকি তিনি লিখিত বক্তব্যে আরো জানান, নুরুল মাস্টার তার পক্ষে সমর্থন নেওযার জন্য বিভিন্ন ওযার্ড ও ইউনিয়ন কমিটির নেত্রীবৃন্দের সিল সই জাল করে নিজের পক্ষে সমর্থন পাওয়ার জন্য বিভিন্ন উর্দ্ধতন দলীয় নেতা কর্মীদের নিকট দেনবরবার করছেন। তাই তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নুরুল মাস্টারের এ সকল কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং সংগঠনের দ্ইু নেতাকর্মীদের মানষিক নির্যাতন করায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন। এমনকি এ  সকল ব্যক্তি বা দলীয় কর্মীদের দল থেকে অপসারণ করার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি (কার্যনির্বাহী পরিষদ) সভানেত্রী, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সম্মানিত সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকসহ থানার আওয়ামীলীগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আ’লীগ নেতা আনোয়ারুল কবীর, মজিবর রহমান, আবু বকর, জালাল হোসেন, রবিউল ইসলাম, সুফল চন্দ্র দাস, আরশাদ, জুলফিকার আলী, মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।