কলারোয়া সংবাদ ॥ ইউএনওকে বিদায় সংবর্ধনা


519 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ ইউএনওকে বিদায় সংবর্ধনা
সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্পে অনিয়ম, দূর্নীতি ও অর্থবানিজ্যের অভিযোগ উঠা সদ্য সাবেক সেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীনকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের আয়োজনে কলেজের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল বারিকের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে পদাধিকারবলে কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ইউএনও মনিরা পারভীনকে ক্রেস্ট, মানপত্র ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রি দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু নসর, কলেজ পরিচালনা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক এমএ ফারুক, প্রাক্তন ইউপি চেয়ারম্যান ডা.আনিসুর রহমান, সমাজসেবা অফিসার শেখ ফারুক হোসেন, সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক কামরুল ইসলাম সাজু, কাজিরহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা.আশিকুর রহমান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব বিএম আফজাল হোসেন পলাশ। ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বক্তব্য দেন ১ম বর্ষের ছাত্র এস.এম.পারভেজ ও ২য় বর্ষের ছাত্রী তামান্না খাতুন।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলোয়াত করেন মাওলানা ইসমাইল হোসেন ও গীতা পাঠ করেন প্রভাষক ডা. রনজিৎ কুমার। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কলেজের প্রভাষক ডা. মো. হাবিবুর রহমান। উল্লেখ্য, কলারোয়া থেকে চুয়াডাঙ্গায় বদলি হয়েছেন মনিরা পারভীন। গত ৩০ আগস্ট দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন তিনি।
##
কলারোয়ায় স্কুল-মাদরাসার জোন পর্যায়ের খেলা সম্পন্ন

কে এম আনিছুর রহমান ::
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪৭তম জাতীয় স্কুল-মাদরাসা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিভিন্ন খেলা কলারোয়া জোন পর্যায়ে সম্পন্ন হয়েছে। দু’দিন ব্যাপী ফুটবল, হ্যান্ডবল, কাবাডীর (বালক ও বালিকা) ফাইনাল খেলা মঙ্গলবার সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজিত বিভিন্ন ইভেন্টের ওই খেলাগুলোতে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীসহ দর্শক সমাগম ছিলো লক্ষণীয়। বিকেলে অনুষ্ঠিত ফুটবলের ফাইনালে হেলাতলা আইডিয়াল হাইস্কুলকে পরাজিত করে জোন পর্যায়ের চ্যাম্পিয়ন হয় কলারোয়া মডেল হাইস্কুল। নির্ধারিত সময়ে গোলশুন্য ড্র থাকায় টাইব্রেকারে ৩-১ গোলে বিজয় ছিনিয়ে নেয় মডেলের খেলোয়াড়রা। এর আগে দিনভর অনুষ্ঠিত খেলায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে হ্যান্ডবল (বালিকা) কলারোয়া মডেল হাইস্কুল, কাবাডী (বালিকা) কাজীরহাট গার্লস স্কুল, হ্যান্ডবল (বালক) কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল, কাবাডী (বালক) কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল, ফুটবল (বালিকা) কাজীরহাট গালর্স হাইস্কুল। খেলাগুলো পরিচালনা করেন শিক্ষক আ. গফুর, আ. মান্নান, শেখ সেলিম, আমিরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ও নিয়াজ আহমেদ খান। মঞ্চে বসে খেলা উপভোগ করেন কলারোয়া পাবলিক ইন্সটিটিউটের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. শেখ কামাল রেজা, উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশিদ, একাডেমী সুপারভাইজার তাপস কুমার দাশ, প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন, আ. আলিম, বদরুজ্জামান বিপ্লব, শামসুল হক, আমান উল্লাহ আমান, কাজীরহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাংবাদিক কে এম আনিছুর রহমান, প্রভাষক আরিফ মাহমুদ, থানার এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আশিকুর রহমান মুন্না প্রমুখ। এদিকে, উপজেলর অপর ৩টি জোনের খেলাও সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। আজ বুধবার ৪টি জোনের চ্যাম্পিয়ন দলদের নিয়ে উপজেলা পর্যায়ের খেলাগুলি শুরু হবে।
##


ভেঙ্গে-ই গেলো কলারোয়ার মাছ বাজারের কাঠের ব্রিজটি
কে এম আনিছুর রহমান ::
শেষ পর্যন্ত ভেঙ্গে-ই গেলো কলারোয়ার মাছ বাজার সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর উপরের কাঠের ব্রিজটি। দীর্ঘদিন সংষ্কারের দাবি উঠলেও সংশি¬ষ্টদের উদাসিনতা আর চোখবুজে থাকার কারণে জীর্ণ কাঠের পুলটি ভেঙ্গে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা। ফলে কলারোয়ার মূল বাজারের সাথে নদীর ওপারের মুরারীকাটি, শ্রীপতিপুর, মির্জাপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের যাতায়াতে দূর্ভোগ হচ্ছে। অনেকটা ঘুরে আসতে হচ্ছে তাদের। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভ প্রকাশও করতে দেখা গেছে ভূক্তভোগিদের।
কলারোয়া বাজার তথা উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্রে পাকা ব্রিজের বিকল্প হিসেবে মাছ বাজারে বেত্রবতী নদীর উপর বাঁশ-কাঠ দিয়ে স্থানীয়দের তৈরিকৃত কাঠের পুল বা ব্রিজটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে ছিলো দীর্ঘদিন। সংষ্কারের জন্য দৃষ্টি আকর্ষন করে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। তবু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক না নড়ায় ও নূন্যতম সংষ্কারের উদ্যোগ না নেয়ায় ভেঙ্গে পড়েছে কাঠের পুলটির অনেক অংশ।
সরেজমিনে দেখা যায়- অতিসম্প্রতি কাঠের পুলটি ভেঙ্গে পড়ে গেছে। কাঠ পচে নষ্ট হয়ে পাটাতন ভেঙ্গে গেছে। সাইটে ধরার বাঁশও নেই। হেটে যাওয়ারও কোন উপায় নেই। ফলে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন হাজারো ভূক্তভোগিরা।
কাঠের পুলের মাথায় চায়ের দোকান আজমল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, জনপ্রতিনিধিদের অবহেলার আর এড়িয়ে যাওয়ার কারণে আজ এ অবস্থা। সবাই শুধু আশ্বাস দেয় তবে কাজের কাজ কিছু করে না। ভোটের সময় নানারকম অভয় বাণী আর ভোট শেষে হলে ভুলে যায় তাদের ওয়াদা দেয়া বাণী।
কাঠের পুল দিয়ে যাতায়াতকারীরা অবিলম্বে পুল বা ব্রিজটি সংষ্কার করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।