কলারোয়া সংবাদ ॥ উপজেলা ভূমি অফিসে জাতীয় পতাকার অবমাননা


504 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ উপজেলা ভূমি অফিসে জাতীয় পতাকার অবমাননা
মে ১৬, ২০১৮ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা ভুমি অফিসেএবার জাতীয় পতাকা অবমাননার ঘটনা ঘটেছে। শুধু দিনে নয়, রাতেও শোভা পেতে দেখা গেছে তরতরিয়ে পতাকা উড়ার বিষয়টি। গত দু’দিন ধরে দিনরাতের পুরোটা সময় জাতীয় পতাকা উড়লেও রাতের উড়াটা শুধু অবমাননা-ই নয়, রীতিমত রাষ্ট্রের জাতীয়তা, স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বের প্রতীককে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় পতাকা ব্যবহারের বিধি-বিধান রয়েছে। কিন্তু সেটা তোয়াক্কা না করে কলারোয়া উপজেলা ভুমি অফিসের পতাকা গত ২দিন ধরে রাতেও একইভাবে উত্তোলিত থাকা দেখে স্থানীয় ব্যবসায়ি ও এলাকাবাসি বিষ্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এমন ঘটনা জানতে পেরে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে দেখা যায়- ভুমি অফিসের পতাকা উত্তোলন অবস্থায় দন্ডায়মান। জাতীয় পতাকা অবমাননার এমন ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে ব্যাপক তোলপাড় হয়েছে।
উপজেলা ভুমি অফিসের প্রধান সহকারি হাকিম আলী জানান,উপজেলা ভুমি অফিসের পিয়ন আমজাদ হোসেনের দায়িত্ব জাতীয় পতাকার রক্ষণাবেক্ষনের। ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস থেকে জাতীয় পতাকা অবমাননার বিষয়ে জড়িতদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছেন।
উপজেলা ভুমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অহিদুল ইসলাম (কানুনগো) জাতীয় পতাকা অবমাননার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, চতুর্থ শ্রেণীর কর্মকর্তার ছোটখাট অপরাধ করেছে আপনারা অফিসে আসুন চা খেয়ে যান। আর এ বিষয়ে কোন ও রিপোর্ট না করার জন্য বলেন। আর গত দু-দিন রাতে পতাকা উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে, জবাবে দু-একদিন পতাকা নামাতে ভুল হতেই পারে। এ কথা বলেই মোবাইলটি বন্ধ করে রাখেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মনিরা পারভীন জানান, তিনি গত কয়েকদিন যাবৎ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ভোট ডিউটিতে আছেন। তবে জাতীয় পতাকাকে অবমাননা কোনও ভাবে বরদাস্ত করা হবে না। এ ঘটনা সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দাপ্তরিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
##
কলারোয়ায় কৃষকলীগ নেতাকে সর্বহারা পরিচয়ে হত্যার হুমকি
কে এম আনিছুর রহমান ::
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক আমানুল্লাহকে (৪৬) সাতক্ষীরা সর্বহারা কমান্ডার পরিচয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে মোবাইল ফোনে তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এঘটনার পর রাতেই কলারোয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নং-৬৮৬) করা হয়েছে। আমান উপজেলার ছলিমপুর গ্রামের গোলাম কাদের মোড়লের ছেলে।

কৃষকলীগ নেতা আমানুল্লাহ জানান, মঙ্গলবার ওই সময় আমার ব্যবহৃত মোবাইলে (নং-০১৭১১৩৯৮৬১৩) অপরিচিত একটি মোবাইল নম্বর (০১৮২৮৩৯৫৫৪৫) থেকে ফোন করে। আমি ফোন রিসিভ করলে আমাকে বলা হয়, আমি মতিন, সাতক্ষীরা সর্বহারা কমান্ডার, তোর সময় শেষ, আগামী সাত দিনের মধ্যে তোকে হত্যা করা হবে। এ কথা বলেই ফোনটির সংযোগ বন্ধ করে দেয়। তিনি বলেন,এঘটনার পর থেকে আমিসহ পরিবার সদস্যরা চরম আতংকের মধ্যে রয়েছেন।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, আমানুল্লাহ রাতেই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এছাড়া পুলিশের একাধিক টিম ঘটনা তদন্তে কাজ করছে।

##