কলারোয়া সংবাদ ॥ উভয় পক্ষের সংঘর্ষে ১১ জন আহত : আটক-২


153 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ উভয় পক্ষের সংঘর্ষে ১১ জন আহত : আটক-২
জুন ২৬, ২০১৯ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় জমিতে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে ১১ জন আহত হয়ে স্থানীয় ক্লিনিক ও কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় থানা পুলিশ উভয় পক্ষের দু’জনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের গাজনা গ্রামে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গাজনা গ্রামের সামছুর রহমান (৫০) জানান-তার জমি জোর পূর্বক দখল করে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে চাচাতো ভাই গোলাম ছরোয়ার বাবুল সহিত কথাকাটি ধরে হয়। এরই জের গোলাম ছরোয়ার বাবুলের ডাক চিৎকারে গোলাম রব্বানী, গোলাম কুদ্দুস, গোলাম ভুট্টো, আতিয়ার রহমান ঐক্যবন্ধ হয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অনধিকার ভাবে জমিতে প্রবেশ করে ধারালো দা, বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ী মারপিট ও কুপিয়ে হাজির উদ্দিন (৪৫). লাল্টু দফাদার (২৯), শামসুর রহমান সানা (৫৫), আনিছুর রহমান(৩৫), হালিমা খাতুন (৪২) ও মহিমা খাতুন (৪০) জখম করে। এসময় তাদের বাড়ী ঘরও ভাংচুর করা হয়। লাল্টুর কাছে নগদ ২০ হাজার ৩শ টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়।
অপরদিকে গোলাম ছরোয়ার বাবুল জানান, সামসুর রহমান গংয়ের হামলায় আমি, গোলাম রব্বানী, ভুট্টো, কুদ্দুস ও আতিয়ার আহত হয়েছে। তাদেরকে স্থানীয় ক্লিনিকে ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাম কুদ্দুস ও আনিছুর রহমানকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।
এবিষয়ে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত শেখ মুনীর-উল-গীয়াস জানান,এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে উভয় পক্ষের মধ্যে দুইজনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

#

কলারোয়ায় পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিলে শতশত গ্রাহক দিশেহারা

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শত শত গ্রাহক পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিলে দিশেহারা হয়ে উঠেছে। এ ঘটনায় বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে এলাকাবাসী লিখিত ভাবে গণ স্বাক্ষরিত এক অভিযোগ পত্র দাখিল করেছে।
অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার ৯নং হেলাতলা ইউনিয়নের দামোদরকাটি গ্রামে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আবাসিক গ্রাহকদের জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার আগে বিদ্যুৎ অফিসের কোন কর্মচারী গ্রাহকের বাড়িতে মিটার চেক করতে বা মিটারে কত ইউনিট উঠেছে তা চেক করতে আসেনি। অথচ তারা জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল পেয়েছেন। প্রত্যেকটা বিলে গত মাসের চেয়ে ২/৩ গুন ইউনিট বেশি লিখে দিয়েছে। গ্রাহকরা বিদ্যুৎ বিলের কাগজ হাতে পেয়ে মিটার সাথে মিলিয়ে দেখেন যে বর্তমান মিটারের ইউনিটের সাথে বিলের কাগজের কোন মিল নেই। এ কারনে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা ভৌতিক বিলে দিশেহারা হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন। প্রকাশ থাকে যে, একই অবস্থা উপজেলার পৌর সদরসহ ১২টি ইউনিয়নে।
বিদ্যুৎ বিল ও মিটারের রিডিংয়ের সাথে গরমিলের বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে কলারোয়া অফিসের এজিএম আবু বকর সিদ্দিক কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এ বিষয়ে তিনি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত করে সত্যতা প্রমান হলে বিদ্যুতের যে সমস্ত কর্মচারী না গিয়ে মিটার রিডিং লিখেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহস করা হয়েছে।

#