কলারোয়া সংবাদ ॥ জাতীয় ভলিবল টিমের অধিনায়ককে কলারোয়ায় সংবর্ধনা


470 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ জাতীয় ভলিবল টিমের অধিনায়ককে কলারোয়ায় সংবর্ধনা
অক্টোবর ১৫, ২০১৬ কলারোয়া খেলা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বাংলাদেশ জাতীয় ভলিবল টিমের অধিনায়ক সাঈদ আল জাবীর রাজেশকে ফুলের তোড়া দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার বিকালে কলারোয়া ফুটবল মাঠে ৬ষ্ট বজলুর রহমান স্মৃতি নক-আউট ফুটবল টুর্নামেন্ট  চলাকালে এ সংবর্ধনা প্রদান করেন ক.পা.ই’র সাধারণ সম্পাদক এ্যাড.কামাল রেজা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, শার্শা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান,উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান খাঁন চৌধুরী জাহিদ,সাংবাদিক কে এম আনিছুর রহমান, এম এ সাজেদ,মাস্টার শেখ শাহাজাহান আলী শাহিন,বিশিষ্ট গায়ক প্রভাষক ভোলানাথ মন্ডল শেখ সহিদুল ইসলাম,মনরোঞ্জন সাহা, মাহফুজার রহমান মাখন, আব্দুর রহিম বাবু,রমজান আহম্মেদ, রেজাউল করিম লাভলু, শান্তা,নিয়াজ আহম্মেদ খাঁন, মাস্টার আব্দুল ওহাব মামুন,মাস্টার অনুপ কুমার প্রমুখ।
###
কলারোয়ায় ফুটবলে শার্শা শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ ফাইনালে
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৬ষ্ট বজলুর রহমান স্মৃতি নক-আউট ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালের প্রথম খেলায় শার্শা শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ জয়লাভ করে ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
শনিবার বিকাল ৪ টায় কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট মডেল হাইস্কুল ফুটবল মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমানের অর্থায়নে কলারোয়া এম আর ফাউন্ডেশন, পাবলিক ইনস্টিটিউট ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় এ খেলায় মুখোমুখি হয় সাতক্ষীরা সপ্তমগ্রাম রিক্রিয়েশন ক্লাব বনাম শার্শা শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ। নির্ধারিত সময়ে উভয় দলই আক্রমন ও পাল্টা আক্রমনের মধ্য দিয়ে গোল শুন্য অবস্থায় প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধের ৪ মিনিটে শার্শা শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের ১৭ নং জার্সিধারী খেলোয়াড় টুটুল একটি গোল করে দলকে এগিয়ে নেয়।  পরে কোন পক্ষ আর গোল না পারায় শার্শা শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ ১—০ গোলে জয়লাভ করে ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
ম্যাচটি পরিচালনা করেন নাসিরউদ্দীন, মাসউদ পারভেজ মিলন,ফারুক হোসেন স্বপন ও সাজু হালদার। ধারা ভাষ্যে ছিলেন মাস্টার শেখ শাহাজাহান আলী শাহিন।
খেলাটি উপভোগ করেন কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, শার্শা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান,বাংলাদেশ জাতীয় ভলিবল টিমের অধিনায়ক সাঈদ আল জাবীর রাজেশ,পাবলিক ইনস্টিটিউটের সাধারণ এ্যাড.কামাল রেজা, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান খাঁন চৌধুরী জাহিদ,সাংবাদিক কে এম আনিছুর রহমান, এম এ সাজেদ,বিশিষ্ট গায়ক প্রভাষক ভোলানাথ মন্ডল শেখ সহিদুল ইসলাম,মনরোঞ্জন সাহা, মাহফুজার রহমান মাখন, আব্দুর রহিম বাবু,রমজান আহম্মেদ, রেজাউল করিম লাভলু, শান্তা,নিয়াজ আহম্মেদ খাঁন, মাস্টার আব্দুল ওহাব মামুন,মাস্টার অনুপ কুমার প্রমুখ।
আগামী মঙ্গলবার একই মাঠে একই সময় সেমিফাইনালের শেষ খেলায় মুখোমুখি হবে কলারোয়া ফুটবল একাডেমি বনাম মুরারীকাটি মর্ডান স্পোটিং ক্লাব।
###

কলারোয়ায় সেলিনার বাড়িতে অসামাজিক কাজ বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ৯নং হেলাতলা ইউনিয়নের ব্রজবক্সা গ্রামের সেলিনার বাড়িতে অসামাজিক কাজ বন্ধের দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে কলারোয়া প্রেসক্লাবে উপজেলার ব্রজবক্সা গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী দিগং ও রঘুনাথপুর গ্রামের শতাধিক নারী-পুরুষ এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসির পক্ষে ইউনিয়নের ৪,৫ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য নাছিমা খাতুন লিখিত বক্তব্য বলেন, ব্রজবক্সা গ্রামের আব্দুস সোবহানের মেয়ে সেলিনা খাতুন ওরফে সেলি  বিগত কয়েক বছর ধরে ভারতের অন্ধগলি মোম্বাই শহরে অবস্থানকালে নারী ও শিশু পাচারকারীচক্রের সাথে তার সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। এরপর সেলিনা খাতুন মাঝে মাঝে দেশে ফিরে নিজ এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী ও শিশু ভারতে পাচার করতে থাকে। এ ঘটনায় থানা পুলিশ তাকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করেন। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে  পিতার দেওয়া জমিতে বাড়ি তৈরি করে নিজে দেহ ব্যবসা শুরু করে। এরপর কলারোয়া উপজেলাসহ পাশ্ববর্তী শার্শা, ঝিকরগাছা, বাকড়া, রাজগঞ্জ, মনিরামপুর, কেশবপুর, কালিগঞ্জ,দেবহাটা,আশাশুনি তালা ও শ্যামনগর উপজেলা থেকে স্বামী পরিত্যক্তসহ বিভিন্ন ধরণের মেয়ে নিয়ে ওই বাড়িতে দেহ ব্যবসা চালায়। এক পর্যায়ে সেলিনা খাতুন বাড়িটি একটি মিনি পতিতলায় গড়ে তুলে নিজেকে পতিতার সর্দারানী হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এর ফলে এলাকার কিছু কলেজগামী ছেলে-মেয়েরা ওই অসামাজিক কাজে জড়িয়ে পড়তে থাকে। ইতোমধ্যে স্থানীয় অভিভাবক, চেয়ারমান, মেম্বারসহ এলাকার সচেতনমহল ওই কাজে বাধাঁ দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদেরকে ধর্ষণ মামলা দেবে বলে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে সেলিনা।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন,এরইমধ্যে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন পতিতার সর্দাররানী সেলিনাকে দুইবার অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় হাতেনাতে ধরে থানা পুলিশে সোপর্দ করেন। জেল থেকে বাড়িতে এসে আবারও দেহ ব্যবসা শুরু করে। এভাবে সে রাতা রাতি লাখপতি হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মেয়েদের দিয়ে দেহ ব্যবসা চালিয়ে তাদের নিকট থেকে ঘর ভাড়া, খাওয়া খরচ কেটে রেখে বাকি টাকা তাদেরকে দেওয়া হয়। তবে প্রতিটা খরিদার নিকট থেকে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার পর্যন্ত টাকা নেওয়া হয়। তাই এভাবে বছরের পর বছর যদি কাজটি চলতে থাকে যুবক ছেলে-মেয়েরা ওই কাজে আসক্তি হয়ে পড়বে এবং এলাকার পরিবেশ দারুন ভাবে ব্যাহত হবে।
তিনি আরো বলেন, ওই সেলিনার মাদকাসক্ত ছেলে আজিজুল ইসলাম দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার সাইকেল, মটর সাইকেল, মটরসহ পানির পাম্প, সোলারের ব্যাটারী, সিঙ্গার মেশিন চুরি করে আসছে। এরই জের ধরে গত ৭ অক্টোবর আজিজুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ৮-১০ জন ডাকাত রাত ২টা ৪৫ মিনিটে ব্রজবাক্সা  গ্রামের আব্দুল গনি সরদারের বাড়িতে হানা দেয়। এ সময়  বাড়ির লোকজন বাড়ির জাহিদ নামে একজনকে  হাতে নাতে ধরে থানায় পুলিশে সোর্পদ করে। এরপর ৯ অক্টোবর এলাকার সচেতন নারী-পুরুষ সংঘবন্ধ হয়ে  আজিজুলের মা দেহ ব্যবসায়ী সেলিনার নিকট ছেলে কোথায় আছে জানতে যায়। এ সময় সেলিনাসহ তার ঘরে থাকা দুই দেহ ব্যবসায়ী ওই সচেতন নারী-পুরুষের উপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে এলাকার নারী-পুরুষরা সেলিনাসহ ওই দেহব্যবসায়ীকে ধরে থানা পুলিশে সোর্পদ করে। থানা থেকে অসামাজিক কাজ আর করবেনা বলে মুচলিকা দিয়ে এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিকট ক্ষমা চেয়ে বাড়ি আসে। পরের দিন রাজগঞ্জ এলাকার রোজি ও ঝিকরগাছার নাইড়া এলাকার আরেকজন দেহব্যবসায়ীকে নিয়ে চিকিৎসার নামে কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি হয়। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের নামে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দেওয়ার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। এমতঅবস্থায় এলাকার শতশত মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ওই বাড়িতে যাতে অসামাজিক কাজ বন্ধ হয় তার দাবিতে স্থাণীয় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সু-দৃষ্টি কামনা করেন।  উল্লেখ্য, উক্ত ঘটনা সংক্রান্ত বিষয়ে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের জড়িয়ে দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকায় গত ১২/১০/২০১৬ইং তারিখে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে একটি মিথ্যা,বানোয়াট ও ভিীত্তহীন সংবাদ পরিবেশন করিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানয়েছেন।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন আ’লীগ নেতা শফিকুল, আব্দুল গফুর মাস্টার, অধ্যক্ষ বেলাল হোসেন,ইউপি সদস্য আব্দুস সাত্তারসহ শত শত এলাকাবাসি।