কলারোয়া সংবাদ ॥ জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা


182 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২০ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

বঙ্গবন্ধু কলেজ ও পাইলট হাইস্কুল বিজয়ী

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শুদ্ধ সুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় মাধ্যমিকে কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল ও উচ্চ মাধ্যমিকে বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ শ্রেষ্ঠ বিবেচিত হয়ে বিজয়ী হয়েছে। পৌরসভা ও উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার সকাল ১০টায় কলারোয়া উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরএম সেলিম শাহনেওয়াজ। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবীদ মহাসীন আলী, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার তাপস কুমার পাল ও সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুন-অর- রশিদ। প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক শিলা রানী হালদার, মুরারীকাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পার্বতী রানী ও খোরদো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কৃষ্ণা পাল। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত সকলে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত গেয়ে অনুষ্ঠানের শুভসূচনা করেন। শ্রেষ্ঠ হওয়া দুই প্রতিষ্ঠান কলারোয়া উপজেলার পক্ষে সাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল হামিদ।

#

কলারোয়ায় পিকআপ ভর্তি পিকনিকগামীদের আটকালো পুলিশ

কে এম আনিছুর রহমান ::

খোলা পিকআপে করে উচ্চস্বরে সাউন্ড বক্সে গান বাজিয়ে যাওয়ার সময় সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দুই পিকআপভর্তি পিকনিকগামী যুবকদের আটকালো পুলিশ। বুধবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে কলারোয়া উপজেলা সদরের যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলাকালে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কলারোয়া উপজেলা সদর দিয়ে সাতক্ষীরা মুখি দু’টি পিকআপ যাচ্ছিলো। এর পিছনের পিকআপে জেনারেটর সেট করে কয়েকটি সাউন্ড বক্স ভর্তি ছিলো। এতে মাত্রাতিরিক্ত উচ্চস্বরে ডিজে গান বাজছিলো। এর সামনে থাকা চলন্ত পিকআপটিতে ১০/১৫ জন যুবক দাঁড়িয়ে লাফালাফি ও নাচানাচি করছিলো। এ দৃশ্য দেখতে পেয়ে কলারোয়া থানা পুলিশের একটি টিম তাৎক্ষণিক মোটরসাইকেলযোগে তাদের পিছু নিয়ে উপজেলার যুগীবাড়ি এলাকা থেকে পিকআপ দু’টি আটকায়। পরে পিকআপসহ ওই যুবকদের থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে সাউন্ড সিস্টেম রেখে দিয়ে তাদের পিকনিকে যেতে দেয়া হয় বলে জানা গেছে। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মুনীর-উল-গীয়াস জানান, চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময় পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে মাইকিং করা নিষিদ্ধ। তাছাড়া মাত্রাতিরিক্ত উচ্চস্বরে গান-বাজনা চালিয়ে চলন্ত খোলা গাড়িতে নাচতে নাচতে যাওযার প্রেক্ষিতে যেকোনো সময় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। পাশাপাশি অন্যরাও বিপদগ্রস্ত হতে পারে। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তাদের নিবৃত করা হয়েছে। তিঁনি আরো জানান, সাউন্ড সিস্টেম রেখে দিয়ে তাদেরকে পিকনিকে যেতে দেয়া হয়েছে, ফেরার পথে তারা সেগুলো নিয়ে যাবে। পিকনিকের পিকআপের থাকা যুবকরা জানান- তারা যশোর থেকে সাতক্ষীরায় পিকনিক করতে যাচ্ছিলেন। তারা অনুতপ্ত। এমন ভুল ভবিষ্যতে তারা করবেন না বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

#

কলারোয়ার কেঁড়াগাছি দক্ষিনপাড়া প্রাইমারি স্কুলটি ঝুঁকিপূর্ণ ॥ ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছে !

কে এম আনিছুর রহমান ::

ছাদের প্লাস্টার খসে পড়েছে, রডও দেখা যাচ্ছে। দেয়ালের অবস্থাও নাজুক। সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এমনই ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ভবনে ঝুঁকি নিয়ে লেখাপড়া করতে হচ্ছে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের। শিক্ষকরাও রয়েছেন চরম বিপাকে। উপজেলার কেঁড়াগাছি দক্ষিনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র চোখে পড়েছে। জরাজীর্ণ ও ভঙ্গুর রুমে ক্লাস করার সময় মাঝে মধ্যেই ছাদের প্লাস্টারের অংশ খসে পড়ে মাথার উপর। বের হয়ে যাওয়া রড জং ধরে জীর্ণ অবস্থায় পৌছেছে। স্কুল ভবনের দেয়ালেও একই রূপ। প্লাস্টার-ইট খসে পড়ার পাশাপাশি রসে গিয়েছে। বিদ্যালয়ের সভাপতি সাবেক মেম্বর মুনছুর আলী বিশ্বাস জানান, ‘বিদ্যালয়টি ১৯৬৭ সালে স্থাপিত এবং এই ভবনটি তৈরি হয়েছিলো ১৯৯৪ সালে। কিন্তু ইতোমধ্যে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বেশ কিছু জায়গায় ছাদ খসে পড়েছে এবং রড দেখা যাচ্ছে। বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোতালেব হোসেন বলেন, আমি অল্প কয়েকদিন আগে যোগদান করেছি। আমি শুনেছি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও এর আগে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, বিদ্যালয়ের ১৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী ও ৫জন শিক্ষক-শিক্ষিকা কর্মরত রয়েছেন। তারা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস করছেন। ছাদের ভঙ্গুর অবস্থায় আমরা খুব ভীতসন্ত্রস্থ থাকি। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। কয়েকজন অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়ের ভগ্ন অবস্থার মধ্যেই আমাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে হচ্ছে। এজন্য আমরা খুব চিন্তিত রয়েছি। সংস্কার করা না হলে সন্তানদের অন্যত্র ভর্তি করতে হবে। অবিলম্বে নতুন ভবন নির্মাণ কিংবা বিদ্যালয়টি সংষ্কারের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোজাফফার উদ্দীন বলেন, উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের জরাজীর্ণ ভবনের যে তালিকা পাঠিয়েছি তাতে এই স্কুলেরও নাম রয়েছে। আমি আজ-কালের মধ্যে সরেজমিনে ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করে অবস্থা বুঝে পরবর্তী নির্দেশনা পাঠাবো।

#

কলারোয়ায় ফেনসিডিলসহ এক যুবক আটক

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৩০০ বোতল ফেনসিডিলসহ আলমগীর হোসেন ওরফে আলম (২৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটক ওই যুবক উপজেলার কাঁকডাঙ্গা গ্রামের নুর আলী গাজীর ছেলে। বুধবার ভোর রাতে কলারোয়া থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রাজ কিশোর পালের নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা উপজেলার বোয়ালিয়ার চেয়ারম্যান পাড়া থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত ফেনসিডিলের আনুমানিক বাজার মুল্যে-১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মুনীর উল গীয়াস আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মামলা নং-২৩(০২)২০২০ হয়েছে।

#

কলারোয়ার এক মাদরাসায় একই পরিবারের ৭ শিক্ষক

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একটি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসায় একই পরিবারের ৭ জন শিক্ষক নিয়োগ ও ম্যানেজিং কমিটি সদস্য হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনা এলাকায় প্রচার হওয়ার পরে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধু হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে গণদরখাস্ত দিয়েছে। ঘটনার বিবরণে ও এলাবাসীর পক্ষে হেলাতলা ইউনিয়ন আ.লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মাজেদ বিশ^াস বুধবার সকালে জানান-উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের গণপতিপুর গ্রামে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী নামে একটি মাদ্ররাসা ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মাদ্ররাসাটি ১৯৮৮ সালে শিক্ষার্থী সংকটের কারণে পাঠদান বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু গোপনে ওই এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী জোহরা খাতুন, লিয়াকত আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, রুহুল কুদ্দুস, মৃত রিয়াজ উদ্দীন মোড়লের ছেলে শওকত আলী নিজেদের শিক্ষক ও ওই মাদরাসায় মৃত রিয়াজউদ্দীন মোড়লের ছেলে লিয়াকত আলী, মোহাম্মাদ আলী মোড়ল, মোহাম্মাদ আলী মোড়লের ছেলে আনিছুর রহমান, মৃত নুর আলী মন্ডলের ছেলে নজরুল ইসলাম, লিয়াকত আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী জোহরা খাতুন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্য পরিচয় দিয়ে খাতা কলমে ৫ বছর চলমান দেখিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের শতভাগ পাশ দেখিয়ে এবং ভূয়া ছাত্র-ছাত্রী দেখিয়ে সরকারী বই গ্রহন করে আসছেন। পরে এলাকাবাসী ও মাদরাসার জমিদাতা এবং মূল কমিটির সদস্যরা মাদরাসায় অনিয়মের বিষয়টি জানতে পারলে তাদের সাথে সমন্বয় করে প্রতিষ্ঠানটি পূনরায় চালু করতে চাইলে তারা সম্মতি দেন ন। এদিকে এলাকাবাসী সকলের সম্মতিক্রমে মাদরাসাটি বৈধভাবে পরিচালনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। হেলাতলা ইউনিয়ন আ.লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মাজেদ বিশ^াস আরো জানান-তিনি সহ ওই মাদরাসার জমিদাতা ও মূল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা অভিযোগ পত্রে স্বাক্ষর করেছেন। গত ২১ জানুয়ারী ২০২০ তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে ওই অভিযোগ পত্র দাখিল করা হয়। এদিকে অভিযুক্তদের ফোনে ফোন দিলেও তারা রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

#