কলারোয়া সংবাদ ॥ ট্রাক চাপায় এক মুদি দোকানদার নিহত


202 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ ট্রাক চাপায় এক মুদি দোকানদার নিহত
এপ্রিল ২০, ২০১৯ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আব্দুর ছাত্তার (৪৫) নামে এক মুদি দোকানদার ট্রাক টাপায় নিহত হয়েছে। নিহত আব্দুর ছাত্তার সাতক্ষীরা সদর থানার ট্যাংরা ভবানিপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাত ৯ টার দিকে কলারোয়া পৌর সদরের ইউরিকা পেট্রোল পাম্পের সামনে যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের উপর। বর্তমানে নিহত ওই দোকানদার উপজেলার হেলাতলা গ্রামে নানার বাড়ি মৃত করিম শেখের বাড়ি থাকেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাতক্ষীরা থেকে যশোর গামি একটি ট্রাক ইউরেকা পেট্রোল পাম্পের সামনে আসলে শ্রমিক ইউনিয়নের চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে ওই ট্রাক চালকের সাথে শ্রমিক ইউনিয়নের লোকজনের কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ট্রাকটি দ্রুত চালিয়ে যাওয়ার সময় সামনে থাকা ওই মুদি দোকানদারকে চাপা দিয়ে চলে গেলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
পরে স্থানীয় লোকজন ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করেছে বলে জানা যায়।
কলারোয়া থানার ওসি (তদন্ত) জেল্লাল হোসেনে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।

#

কলারোয়ায় টি,সি,সি কাপ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট’র উদ্বোধন
কে এম আনিছুর রহমান ::
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তুলশিডাঙ্গা ক্রিকেট ক্লাবের (টি,সি,সি) আয়োজনে টি,সি,সি কাপ ও টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-১৯’এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টার দিকে কলারোয়া ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী খেলায় বেনাপোল ক্রিকেট একাডেমী ৩৫ রানে কলারোয়া ক্রিকেট একাডেমিকে পরাজিত করে সেমি ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। টসে জয়লাভ করে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বিজয়ী দল ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রান সংগ্রহ করে। জবাবে কলারোয়া ক্রিকেট একাডেমী ১৯.২ ওভারে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করতে সক্ষম হয়। বিজয়ী দলের রনি ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়। খেলাটি পরিচালনা করেন সাংবাদিক ফারুক হোসেন স্বপন ও সাজু হালদার। স্কোরার ছিলেন তানভীর হাসান। ধারাভাষ্যে ছিলেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ও মাস্টার শেখ শাহাজান আলী শাহীন। খেলাটি উদ্বোধন করেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক জাহিদুর রহমান খাঁন চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কপাই সাধারন সম্পাদক এ্যাড: শেখ কামাল রেজাসহ প্রমুখ।

#

কলারোয়ায় শুটকি মাছের দূর্গন্ধে দুষিত হচ্ছে পরিবেশ ॥ এলাকাবাসি অতিষ্ঠ
কে এম আনিছুর রহমান ::
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শুটকি মাছের দুর্গন্ধে পরিবেশ দুষিত হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন রোগের আশঙ্কায় ভুগছে পথচারীসহ এলাকাবাসী। শনিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে-উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের গণপতিপুরে ওই শুটকি মাছের কার্যক্রম শুরু করেছে তরিকুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী। ওই শুটকি মাছের দুর্গন্ধে এলাকায় বসবাস করা অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এঘটনার প্রতিকার চেয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে-হেলাতলা ইউনিয়নে গণপতিপুরে মেসার্স ভাই ভাই ফিস ফিড মিলের স্বত্বাধিকারী তরিকুল ইসলাম সরকারের কোন প্রকার অনুমতি না নিয়ে তিনি গোপনে মেসার্স ভাই ভাই ফিস ফিড নামে একটি শুটকি মাছের খাদ্য তৈরীর মিল স্থাপন করেন। ওই এলাকায় এ ধরনের শুটকি মাছের খাদ্যে তৈরী মিল হওয়ায় একটি কলেজ, একটি স্কুল, একটি গ্রামীণ ব্যাংক, একটি মসজিদসহ এলাকাবাসী তাদের সকল কাজ কর্ম করতে দারুন অসুবিধা হচ্ছে। এত দুর্গন্ধ যে রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষ চলাচল করতেও পারছে না। এই শুটকি মাছের দুর্গন্ধে আমিনুর রহমান ও তার শিশু কন্যা অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন।
এলাকাবাসীরা জানান-মেসার্স ভাই ভাই ফিস ফিড মিলের স্বত্বাধিকারী তরিকুল ইসলাম প্রতি মাসে তার মিল থেকে প্রায় এক থেকে দেড় কোটি টাকার মাছের খাদ্যে তৈরী করে বিক্রয় করছেন। তিনি পরিবেশ অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ফায়ার ব্রিগেড, ইনকাম ট্যাক্স ভ্যাট না দিয়ে সম্পর্ন অবৈধ ভাবে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
শনিবার সকালে এধরনের অভিযোগ তুলে ধরে এলাকাবাসীর পক্ষে আমিনুর রহমান নামে এক ব্যক্তি। তিনি বলেন-এলাকাবাসীর পক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা, জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার কলারোয়াসহ সরকারে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন-গণপতিপুরের সাধারণ মানুষ অস্বাস্থকর পরিবেশ, শব্দ দূষন ও পচা দুরগন্ধের হাত থেকে রক্ষা করতে অবিলম্বে মেসার্স ভাই ভাই ফিস ফিড মিল বন্ধের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এদিকে এবিষয়ে কলারোয়ার হেলাতলার গণপতিপুরের মেসার্স ভাই ভাই ফিস ফিড মিলের স্বত্বাধিকারী তরিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন-তার মিলের সকল ধরনের কাগজ পত্র, ছাড়পত্র নবায়ন করার জন্য আবেদন করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আর এম সেলিম শাহনেওয়াজ জানান-একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেন এবং মিল বন্ধ রেখে বিষয়টি নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনার সাথে যোগাযোগ করার জন্য মিল মালিককে জানান।

#