কলারোয়া সংবাদ ॥ প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গোৎসব


518 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গোৎসব
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৭ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া ::
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। শনিবার দিনভর দেবী দুর্গা মাকে বিদায় দেওয়ার জন্য উপজেলার ৩৯টি পূজা মন্ডপে ভক্তদের মধ্যে ছিলো শুধু বিষাদের ছায়া। এরই মধ্যে উপজেলার পৌর সদরসহ প্রতিটি পূজা মন্ডপে শনিবার দশমী বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দিনভর ভক্তরা বিষন্ন মনে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে দেবী দূর্গার বিদায়ের ক্ষনে ঘুরে ঘুরে দেখে বেড়ান এবং নিজেদের মঙ্গল কামনায় দেবীর নিকট প্রার্থনা করেন।
পৌরনিক কাহিনী মতে জানা যায়, ধর্মের গ্লানি ও অধর্ম রোধ, সাধুকে রক্ষা, অসাধু বধ এবং ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতি বছর দূর্গতিনাশিনী দেবী দূর্গা ভক্তদের মাঝে আবির্ভূত হন। বিজয়া দশমীর দিনে মর্ত্য ছেড়ে আবার ফিরে গেলেন কৈশালে স্বামীগৃহে দূর্গতিনাশিনী দেবী দূর্গা।
পৌরনিক কাহিনী মতে আরো জানা যায়, দূর্গাদেবী হলেন ব্রক্ষার মানসকন্যা। যখন সংসারে অসুরের রাজত্ব চলছিলো, চারিদিকে অসুরের জয়, অসুরের দাপটে মানবকূল ত্রাহি ত্রাহি করছিলো, অসুর তাদের আসুরিক বৃত্তি দ্বারা সবার স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলো,শান্তি-সমৃদ্ধি আর হিংসা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছিলো। সেই আগুনে পুড়ে যাচ্ছিল মানুষের ভালো গুন বা মানবীয় সত্তা। তখন দেবী দূর্গাকে সৃজন করে ব্রক্ষা তাকে সর্বশক্তিতে ভরপুর করে অসুর বিনাশের জন্য মর্ত্যে প্রেরন করেছিলেন। দূর্গা দেবী তার দিব্য শক্তির দ্বারা অসুরী শক্তি বা অপশক্তিকে (অসুরকে) পরাভুত করে পুন:শক্তির জন্য সমর্থ হয়েছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে দূর্গা মায়ের মৃন্নয়ী মূর্তিতে চিন্ময়ী মূর্তির আরাধনা।
কলারোয়া পূজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি বাবু মনোরঞ্জন সাহা বলেন, এ বছর উপজেলার পৌর সদরসহ উপজেলার ৩৯টি মন্ডপে শান্তিপূর্ন ভাবে শারদীয় দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সব মন্ডপে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য তিনি কলারোয়া উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনরে প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আরো বলেন, শনিবার রাত থেকে বিভিন্ন মন্ডপে প্রতিমা বিসর্জন শুরু হয়ে রাতেই প্রতিমা বিসর্জনের কাজ শেষ হয়।

কলারোয়ায় স্বপ্নের ঠিকানা র‌্যাফেল-ড্র এর অবশিষ্ঠ ৮টি মোটরসাইকেল পুরস্কার বিতরণ
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া ::
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী চন্দনপুরে অনুষ্ঠিত“দৈনিক স্বপ্নের ঠিকানা র‌্যাফেল-ড্র এর অবশিষ্ঠ ৮টি মোটরসাইকেল পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার বিকালে কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কাচারী মসজিদের পাশে আ’লীগ অফিসে ওই র‌্যাফেল ড্র এর কর্তৃপক্ষ এসব পুরস্কার বিতরণ করেন। চন্দনপুর ঈদ আনন্দ মেলার সভাপতি চন্দনপুর গ্রামের শওকত খাঁ জানান, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের ১ তারিখ থেকে চন্দনপুর ইউনিয়নবাসি ২৫ দিন ব্যাপী চন্দনপুর মাঠে একটি ঈদ আনন্দ মেলার আয়োজন করে। ওই মেলায় সার্কাস ও দৈনিক স্বপ্নের ঠিকানা র‌্যাফেল ড্র চলে। ২৩ তারিখ রাতে র‌্যাফেল ড্র এর খেলা শুরু হওয়ার কিছুক্ষনের মধ্যে মেলা বন্ধ করার নির্দেশ আসে। বিধায় ওই রাতে তারা মেলা বন্ধ করে দেন। এতে করে ওই রাতে র‌্যাফেল ড্র খেলার টিকিটে পাওয়া ৮টি মোটর সাইকেল পুরস্কার বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। শনিবার আ’লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম লাল্টুর ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় এবং মেলা কর্তৃপক্ষের সদইচ্ছায় লিটারীতে পাওয়া ৮ ভাগ্যবান ব্যক্তিকে ৮টি মোটরসাইল পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার ব্রজবকস গ্রামের আলামিন,মাদকাটি গ্রামের লিটন,লাঙ্গলঝাড়া গ্রামের যুবায়ের হোসেন, নীলন্টপুর এলাকার ক্রিপারামপুর গ্রামের হাসান (রওশন মেম্বর), রামচন্দ্র পুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম, একড়া গ্রামের মোমিন ও পাঁচনল গ্রামের আপু (সোহাগ)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান স.ম মোরশেদ আলী, আ’লীগ নেতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ভুট্রোলাল গাইন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী শাহাজাদা, ঈদ আনন্দ মেলার সভাপতি শওকত খাঁ, ইউপি চেয়ারম্যান প্রধান শিক্ষক নূরুল ইসলাম, শহর আলী, লাভলু, র‌্যাফেল ড্র এর মালিক লুৎফর রহমান, রবিউল ইসলাম প্রমুখ।