কলারোয়া সংবাদ ॥ ফেনসিডিল- ইয়াবাসহ ৩ যুবক আটক


126 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ ফেনসিডিল- ইয়াবাসহ ৩ যুবক আটক
নভেম্বর ৪, ২০১৯ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ফেনসিডিল ও ইয়াবাসহ ৩ যুবক আটক করা হয়েছে। সোমবার দুপুরের দিকে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মুনীর-উল-গীয়াস এর নেতৃত্বে এসআই রইচ উদ্দিন, এসআই মাসুদুজ্জামান, এএসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই মিজানুর রহমান সহ সংগীয় ফোর্সের সহযোগীতায় পৃথক অভিযান চালিয়ে কলারোয়া মাংসের বাজারস্থ গলির ভীতর থেকে সৈয়দ মোঃ ফয়সালের ফলের গোডাউনের মধ্যে থেকে রোববার বিকালে ৩৯ বোতল ফেনসিডিলসহ পৌরসদরের মির্জাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে সৈয়দ মোঃ ফয়সাল (২৭) কে আটক করে। অপর এক অভিযানে উপজেলার কামারালী গ্রামস্থ পলাতক আসামী ওসমান গনি বাবু এর বাড়ীর সামনে কাঁচা রাস্তার উপর থেকে ওই গ্রামের মিন্টু সরদারের ছেলে মেহেদী হাসান মুরাদ (১৯) ও রাতে পৌরসাভাধীন ঝিকরা গ্রামের মেসার্স লাকী ফিস এন্ড ফিড এর সামনে পাকা রাস্তার পাশে থেকে সাতক্ষীরার তালা থানার শাহজাদপুর গ্রামের মৃত শেখ আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে শেখ ফরহাদ হোসেন (৩০) কে আটক করা হয়। আটককৃত ৩ যুবকের কাছ থেকে ৩৯ বোতল ফেনসিডিল ও ৭০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এঘটনায় কলারোয়া থানায় মামলা হয়েছে। আটককৃত আসামীদের সাতক্ষীরা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

#

কলারোয়ায় সোনাবাড়িয়া ও চন্দনপুরে আ’লীগের প্রস্তুতি সভা

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্দ্যেগে আগামী সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সোনাবাড়িয়া ও চন্দনপুর ইউনিয়নে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের মাদরা বাজারে ও সন্ধ্যার পরে চন্দনপুর ইউনিয়নের চন্দনপুর হাইস্কুল চত্বরে পৃথকবাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বিএম নজরুল ইসলাম। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু। সোনবাড়িয়ার সভায় ইউনিয়ন আ.লীগের সহ.সভাপতি ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম সভাপতিত্বে এবং আ.লীগ নেতা নয়ন মজুমদার ও আতাউর রহমানের পরিচালনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অপরদিকে চন্দনপুরের সভা ইউনিয়ন আ.লীগের সহ.সভাপতি অধ্যাপক নুরুল ইসলাম সভাপতিত্ব ও যুবলীগ নেতা ডালিম হোসেন পরিচালনা করেন। পৃথক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সাবেক আহবায়ক সাজেদুর রহমান খান চৌধুরী মজনু, বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক সম মোরশেদ আলী ভিপি ও রবিউল আলম মল্লিক রবি, আ.লীগ নেতা অধ্যাপক আব্দুর রহিম, সিদ্বেশ্বর চক্রবর্তী, ইলিয়াস হোসেন রাসেল, রেজাউল ইসলাম, রকিবুল ইসলাম, আলফাজ হোসেন, মোস্তফা জাহাঙ্গীর আলম শিমুল, উজ্জ্বল হোসেন, জিকরিয়া হোসেন, সোনবাড়িয়া আ.লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম মেম্বর, আনোয়ারুল ইসলাম মেম্বর, রেজাউল ইসলাম মেম্বর, চন্দনপুর আ.লীগ নেতা আবু জাফর, সাবেক মেম্বর আব্দুল মোমিন মিঠু, বদরুজ্জামান মেম্বর, হিমেল হোসেন, ইউসুফ আলী মেম্বরসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলা ও স্থানীয় নেতাকর্মী।

#

কলারোয়ায় সেই ৭৭বছর বয়সী বৃদ্ধার ভাতার কার্ড দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৭৭বছর বয়সী সেই বৃদ্ধার ভাতার কার্ডের ব্যবস্থা করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু। “কলারোয়ায় ৭৭ বছর বয়সী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এক বৃদ্ধার আজও বয়স্ক ভাতার কার্ড মেলেনি” শীরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরে সেটি দৃষ্টিগোচর হয় উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টুর। তিঁনি তাৎক্ষনিক অসহায় ওই বৃদ্ধাকে বিশেষ ব্যবস্থায় ‘বয়স্ক ভাতা’র কার্ড প্রদান করেন। গত ৩ নভেম্বর সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকায় উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের ৭৭বছর বয়সী বৃদ্ধা রুপিয়াকে নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়- ২৫বছর আগে স্বামীর মারা যাওয়ার পর ওই বৃদ্ধার ২ পুত্রও মারা গেছেন কয়েক বছর আগে। নাতি-পুতিদের অভাবের সংসারে কোনরকম অসহায়ভাবে জীবনের শেষ প্রান্তে তিঁনি। তিঁনি কানে শোনেন না, চোখেও প্রায় দেখেন না, হাটেন কোনরকম খুড়িয়ে খুড়িয়ে। বার্ধক্যের এ পর্যায়ে আসলেও অসহায় এই বৃদ্ধার কপালে জোটেনি বয়স্ক ভাতা কিংবা বিধবা ভাতা বা প্রতিবন্ধি ভাতা অথবা অন্য যেকোন সরকারি ভাতার সহায়তা। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান জানিয়েছিলেন- ওই বৃদ্ধার জাতীয় পরিচয়পত্র ছিলো না, এখন স্মার্ট আই.ডি পেয়েছি। পরবর্তীতে তাঁর জন্য কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে। বিষয়টি পত্রিকায় দেখে সোমবার সকালে উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু ওই বৃদ্ধাকে অফিসে ডেকে আনান। ‘পরবর্তীতে’ নয় বরং তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা করলেন ভাতার কার্ডের। সেখানে ৭৭বছর বয়সী বৃদ্ধাকে বিশেষ ব্যবস্থায় ‘বয়স্ক ভাতা’র কার্ড তুলে দেন তাঁর হাতে। এ বিষয়ে লাল্টু বলেন- ‘আমি দায়িত্বে এসেছি ৬ মাসের মতো। কিন্তু কি কারণে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান অসহায় এমন একজন বৃদ্ধাকে উপকারভোগী কার্ড করে দিতে পারেনি সেটা আমার বোধগম্য নয়। আমি হতবাক হয়েছি ৭৭বছরের দৃষ্টিহীন বিধবা মহিলা এতোদিনেও কোন উপকারভোগীর আওতায় না আসায়।’ লাল্টু আরো বলেন- ‘আমি এখন থেকে পৌরসভাসহ ১২টি ইউনিয়নে খোঁজ খবর নিচ্ছি। এধরনের আর কোন অসহায় ব্যক্তি অবহেলিত অবস্থায় থাকলে দলমত নির্বিশেষে তাদেরকে উপকারভোগীর আওতায় নিয়ে আসবো।’ এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শেখ ফারুক হোসেন, উপজেলা আ.লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক সম মোরশেদ আলী ভিপি, কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ভুট্টোলাল গাইন, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি সিদ্ধেশ্বর চক্রবর্তী প্রমুখ। কার্ড হাতে পাওয়ার পর বৃদ্ধা রুপিয়ার চোখে আনন্দের পানি ঝড়তে দেখা যায়। ভাঙা কন্ঠে তিঁনি জানান- ‘উপজেলা চেয়ারম্যান লাল্টুর বদৌলতে অবশেষে কার্ড পেয়েছি, এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি রইলো কৃতজ্ঞতা।

#